ঈদুল আযহার যাত্রাপথে দেশের সড়ক-মহাসড়কে ২৫৯ জন নিহত। ২৩৭টি দুর্ঘটনায় এবার আহত হয়েছেন ৯৬০ জন
পবিত্র ঈদুল আযহার যাত্রাপথে দেশের সড়ক-মহাসড়কে ২৫৯ জন নিহত। ২৩৭টি দুর্ঘটনায় এবার আহত হয়েছেন ৯৬০ জন।
শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী এ তথ্য জানান। ঈদযাত্রার ১৬ অগাস্ট থেকে ২৮ অগাস্ট পর্যন্ত এসব দুর্ঘটনা ঘটেছে বলেও তিনি জানান।
মোজাম্মেল বলেন, ঈদুল ফিতরের তুলনায় দুর্ঘটনা ১৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ, প্রাণহানি ২৩ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং আহতের সংখ্যা ২৪ দশমিক ১১ শতাংশ কমেছে। তবে গতবছরের ঈদুল আজহার তুলনায় নিহত ১৩ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং আহত ১১ দশমিক ৬৭ শতাংশ বেড়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান, বিআরটিএর সাবেক চেয়ারম্যান আয়ুবুর রহমান খান ও আইনজীবী জোতির্ময় বড়ুয়া উপস্থিত ছিলেন।
‘জবাবদিহিতার অভাবকে’ সড়কের মূল সমস্যা হিসেবে বর্ণনা করে হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, “দুর্ঘটনা পৃথিবীর সব দেশেই হয়। কিন্তু আমাদের এখানে সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে বেশি কথা বলার কারণ আমাদের এখানে এমন কিছু দুর্ঘটনা ঘটেছে যেগুলোর অর্ধেক চাইলে এড়ানো যেত।
সরকারের দুজন মন্ত্রীর পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সমিতির শীর্ষ পদে থাকার বিষয়ে ইঙ্গিত করে সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে যারা নীতি নির্ধারণ করেন, তিনিই আবার মালিক শ্রমিক প্রতিনিধি। জবাবদিহিতার ব্যাপারে যে অনাগ্রহ এর মূলে রয়েছে এই কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট।

কোন মন্তব্য নেই