‘জনগণের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠাই অঙ্গীকার’—দ্য ডিপ্লোম্যাটের চোখে বাংলাদেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষণধর্মী সাময়িকী দ্য ডিপ্লোম্যাট বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে তুলে ধরেছে। সাময়িকীটি সম্প্রতি তারেক রহমানের একটি বিশেষ সাক্ষাৎকার প্রকাশ করেছে, যেখানে তিনি ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নিয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
তিনি সাক্ষাৎকারে বলেন, “আমরা জনগণের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করব—এটাই আমার অঙ্গীকার।”
‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’—পররাষ্ট্রনীতিতে কঠোর অবস্থান
-
জাতীয় স্বার্থ হবে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার
-
যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, চীন—সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক হবে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে
-
পূর্ববর্তী সরকারের ভারত-নির্ভর নীতি তিনি সমালোচনা করেন
২০৩০-এর দশকে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্য
-
২০৩০-এর দশকে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি বানানো সম্ভব
-
তৈরি পোশাক ও রেমিট্যান্সের পাশাপাশি যেসব খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে:
-
আইটি সেক্টর
-
সেমিকন্ডাক্টর
-
হালকা প্রকৌশল
-
কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ
-
সমালোচকরা একে উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য বললেও তিনি এটিকে বাস্তবসম্মত বলে দাবি করেন।
তরুণ প্রজন্ম ও জেন-জির গুরুত্ব
-
কর্মসংস্থান সৃষ্টি
-
কারিগরি শিক্ষা সম্প্রসারণ
-
আইটি ও স্টার্টআপ খাতকে শক্তিশালী করা
সুশাসন, দুর্নীতি রোধ ও বিচারহীনতা দূরীকরণ
তারেক রহমান সাক্ষাৎকারে প্রতিশ্রুতি দেন—
-
ব্যাংক খাতের কাঠামোগত সংস্কার
-
পাচার হওয়া টাকা ফেরত আনা
-
প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা
-
সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুনর্বহাল
-
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা
তিনি বলেন, দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা দূর করতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ গড়াই হবে তাঁর প্রথম কাজ।
পরিবেশ রক্ষায় বড় পরিকল্পনা
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় তিনি ঘোষণা দেন—
-
২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন
-
২৫ কোটি গাছ লাগানো
-
কৃষি, পানিসম্পদ ও পরিবেশব্যবস্থা রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা
দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে তিনি দেশে ফিরে জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে একটি সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

কোন মন্তব্য নেই