বরগুনায় অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে বাসায় ডেকে ধর্ষণ
বরগুনায় অষ্টম শ্রেণির এক মাদরাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় আ'লীগ নেতার ছেলের বিরুদ্ধে। আজ দুপুর ১টার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার কেওড়াবুনিয়া এলাকায় সাহেবের হাওলা রাফেজিয়া দাখিল মাদরাসার সন্নিকটে মাদরাসা শিক্ষক শিক্ষার্থীকে গাইড দেয়ার কথা বলে তার বাসায় ডেকে নিয়ে এ ঘটনা ঘটে। পরে ধর্ষিত ওই শিক্ষার্থীকে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় অভিযুক্তের নাম মো. সাইফুল ইসলাম। সে বরগুনা সদর উপজেলার ফুলঝুড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাহেবের হাওলা রাফেজিয়া দাখিল মাদরাসার সহকারি শিক্ষক মো. ইব্রাহিম মাওলানার ছেলে। অভিযুক্ত সাইফুল ইসলামও একই মাদরাসার শরীরচর্চা শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
নির্যাতিত ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধারকারী সমাজকর্মী মো. আরিফুর রহমান মারুফ মৃধা বলেন, দুপুরে গাইড দেয়ার কথা বলে এই শিক্ষার্থীকে মাদরাসায় ডেকে নেয় লম্পট সাইফুল। মাদরাসার খুব কাছেই ধর্ষক সাইফুলদের বাড়ি। সাইফুলের ডাকে এই শিক্ষার্থী মাদরাসায় গেলে সাইফুল তাকে তাদের ঘরের দোতলায় নিয়ে পাশবিক নির্যাতন করে।
সাইফুলের পাশবিক নির্যাতনে ওই শিক্ষার্থী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঘরে রেখেই পালিয়ে যায় সাইফুল। পরে স্থানীয়দের কাছে এ ঘটনার খবর শিক্ষার্থীর বাবা জানতে পেরে তাকে ফোনের মাধ্যমে জানায়।
পরে তিনি ওই বাড়িতে গিয়ে কিশোরীকে উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এদিকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে জানা যায়, পাশবিক নির্যাতনের ফলে কিশোরীটির অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হচ্ছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তার চিকিৎসা চলছে বরগুনা জেনারেল হাসপাতলে।
এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানার ওসি মো. আবির হোসেন মাহমুদ বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কিশোরীর খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে। অভিযুক্ত সাইফুলকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে বলেও জানান তিনি। -মানবজমিন
এ ঘটনায় অভিযুক্তের নাম মো. সাইফুল ইসলাম। সে বরগুনা সদর উপজেলার ফুলঝুড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাহেবের হাওলা রাফেজিয়া দাখিল মাদরাসার সহকারি শিক্ষক মো. ইব্রাহিম মাওলানার ছেলে। অভিযুক্ত সাইফুল ইসলামও একই মাদরাসার শরীরচর্চা শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
নির্যাতিত ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধারকারী সমাজকর্মী মো. আরিফুর রহমান মারুফ মৃধা বলেন, দুপুরে গাইড দেয়ার কথা বলে এই শিক্ষার্থীকে মাদরাসায় ডেকে নেয় লম্পট সাইফুল। মাদরাসার খুব কাছেই ধর্ষক সাইফুলদের বাড়ি। সাইফুলের ডাকে এই শিক্ষার্থী মাদরাসায় গেলে সাইফুল তাকে তাদের ঘরের দোতলায় নিয়ে পাশবিক নির্যাতন করে।
সাইফুলের পাশবিক নির্যাতনে ওই শিক্ষার্থী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঘরে রেখেই পালিয়ে যায় সাইফুল। পরে স্থানীয়দের কাছে এ ঘটনার খবর শিক্ষার্থীর বাবা জানতে পেরে তাকে ফোনের মাধ্যমে জানায়।
পরে তিনি ওই বাড়িতে গিয়ে কিশোরীকে উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এদিকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে জানা যায়, পাশবিক নির্যাতনের ফলে কিশোরীটির অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হচ্ছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তার চিকিৎসা চলছে বরগুনা জেনারেল হাসপাতলে।
এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানার ওসি মো. আবির হোসেন মাহমুদ বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কিশোরীর খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে। অভিযুক্ত সাইফুলকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে বলেও জানান তিনি। -মানবজমিন

কোন মন্তব্য নেই