সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার কবলে চট্টগ্রাম নগরী
মাত্র ১৮ মিলিমিটার বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরীর দুই নম্বর গেইট, মুরাদপুর, প্রবর্তকসহ বিভিন্ন এলাকা হাঁটু পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে জলাবদ্ধতায় মারাত্মক দুর্ভোগে পড়েছেন নগরীর বিভিন্ন এলাকার মানুষ। বর্ষা শুরুর প্রথম দিন শনিবার দুপুর একটার পর থেকে বৃষ্টি শুরু হয়। আর পৌনে দুইটার দিকে শুরু হয় ভারী বাতাসসহ বৃষ্টি।
বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরীর সড়কের পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকার বাসা-দোকানেও ঢুকে পড়েছে পানি। নালা আটকে থাকায় বিভিন্ন উঁচু এলাকার সড়কেও পানি জমতে দেখা গেছে।পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ শেখ ফরিদ আহমেদ জানান, বেলা তিনটা পর্যন্ত চট্টগ্রামে ১৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। হাঁটু পানিতে তলিয়ে গেছে নগরীর প্রবর্তক মোড় এলাকা।
শুলকবহর, কাতালগঞ্জ এলাকার বিভিন্ন অলিগলিতেও হাঁটু পানি মাড়িয়ে পথ চলতে দেখা গেছে সেখানকার বাসিন্দাদের। এছাড়া বহদ্দারহাট, কাপাসগোলা, পশ্চিম বাঁকলিয়া এলাকায় জলাবদ্ধতার পাশাপাশি নগরীর বিভিন্ন এলাকায়ও জলাবদ্ধতার খবর পাওয়া গেছে। এমনকি আক্তারুজ্জামান ফ্লাইওভারের ওপরেও পানি জমে থাকতে দেখা গেছে।
নগরীর দুই নম্বর গেইট এলাকায় রিকশাযাত্রী আজহারুল ইসলাম বলেন, এই বৃষ্টিতেই যদি এতো জলাবদ্ধতা হয় তাহলে সামনের দিনগুলোতে আমাদের কপালে যে কি আছে সেটা আল্লাহ ভালো বলতে পারবেন।সানিজদা নামের প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া এক সিএনজি যাত্রী বলেন, অনেকক্ষণ মুরাদপুরে দাঁড়িয়ে ছিলাম। গাড়ি না পেয়ে অতিরিক্ত সিএনজি ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে।
বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরীর সড়কের পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকার বাসা-দোকানেও ঢুকে পড়েছে পানি। নালা আটকে থাকায় বিভিন্ন উঁচু এলাকার সড়কেও পানি জমতে দেখা গেছে।পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ শেখ ফরিদ আহমেদ জানান, বেলা তিনটা পর্যন্ত চট্টগ্রামে ১৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। হাঁটু পানিতে তলিয়ে গেছে নগরীর প্রবর্তক মোড় এলাকা।
শুলকবহর, কাতালগঞ্জ এলাকার বিভিন্ন অলিগলিতেও হাঁটু পানি মাড়িয়ে পথ চলতে দেখা গেছে সেখানকার বাসিন্দাদের। এছাড়া বহদ্দারহাট, কাপাসগোলা, পশ্চিম বাঁকলিয়া এলাকায় জলাবদ্ধতার পাশাপাশি নগরীর বিভিন্ন এলাকায়ও জলাবদ্ধতার খবর পাওয়া গেছে। এমনকি আক্তারুজ্জামান ফ্লাইওভারের ওপরেও পানি জমে থাকতে দেখা গেছে।
নগরীর দুই নম্বর গেইট এলাকায় রিকশাযাত্রী আজহারুল ইসলাম বলেন, এই বৃষ্টিতেই যদি এতো জলাবদ্ধতা হয় তাহলে সামনের দিনগুলোতে আমাদের কপালে যে কি আছে সেটা আল্লাহ ভালো বলতে পারবেন।সানিজদা নামের প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া এক সিএনজি যাত্রী বলেন, অনেকক্ষণ মুরাদপুরে দাঁড়িয়ে ছিলাম। গাড়ি না পেয়ে অতিরিক্ত সিএনজি ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে।
কোন মন্তব্য নেই