অর্থনৈতিক অঞ্চলে ইউএইর বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) প্রতি পারস্পরিক স্বার্থে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন।
ইউএইর খাদ্য নিরাপত্তা প্রতিমন্ত্রী মরিয়ম আল মেইহরি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার জাতীয় সংসদ ভবন কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এসব অঞ্চলে ইউএইর বিনিয়োগকে স্বাগত জানাবে।
এদিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকের শুরুতেই বিশ্বকাপ ক্রিকেটে সোমবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে জয়লাভ করায় প্রধানমন্ত্রী খেলোয়াড়দের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। ইউএইর খাদ্য নিরাপত্তা প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠককালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দ্রুত শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য আমরা দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করছি।
এসব অর্থনৈতিক অঞ্চলে অনেক সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, উদ্যোক্তারা এসব অঞ্চলে নিজস্ব পছন্দ অনুযায়ী শিল্প স্থাপন করতে পারবেন।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ কথা জানান। তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী ইউএইর উদ্যোক্তাদের প্রতি এসব অঞ্চলে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প স্থাপনেরও আহ্বান জানান। প্রেস সচিব বলেন, ইউএইর প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়নের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন।
তিনি বাংলাদেশ থেকে উদ্বৃত্ত খাদ্য আমদানি করতে তার দেশের গভীর আগ্রহের কথা জানান। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী সংক্ষেপে শস্যের বহুমুখীকরণের মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদনে বাংলাদেশের সফলতার কাহিনী বর্ণনা করেন। তিনি একবার থেকে বছরে তিনবার ধান চাষ ও কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশ খাদ্যে উদ্বৃত্তের দেশে উন্নীত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বিজ্ঞানীরা লবণাক্ততা, বন্যা ও খরাসহিষ্ণু জাতের ধানসহ বিভিন্ন জাতের ফসলের উদ্ভাবন করেছেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান ও সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদিন উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র : যুগান্তর
ইউএইর খাদ্য নিরাপত্তা প্রতিমন্ত্রী মরিয়ম আল মেইহরি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার জাতীয় সংসদ ভবন কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এসব অঞ্চলে ইউএইর বিনিয়োগকে স্বাগত জানাবে।
এদিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকের শুরুতেই বিশ্বকাপ ক্রিকেটে সোমবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে জয়লাভ করায় প্রধানমন্ত্রী খেলোয়াড়দের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। ইউএইর খাদ্য নিরাপত্তা প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠককালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দ্রুত শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য আমরা দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করছি।
এসব অর্থনৈতিক অঞ্চলে অনেক সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, উদ্যোক্তারা এসব অঞ্চলে নিজস্ব পছন্দ অনুযায়ী শিল্প স্থাপন করতে পারবেন।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ কথা জানান। তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী ইউএইর উদ্যোক্তাদের প্রতি এসব অঞ্চলে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প স্থাপনেরও আহ্বান জানান। প্রেস সচিব বলেন, ইউএইর প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়নের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন।
তিনি বাংলাদেশ থেকে উদ্বৃত্ত খাদ্য আমদানি করতে তার দেশের গভীর আগ্রহের কথা জানান। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী সংক্ষেপে শস্যের বহুমুখীকরণের মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদনে বাংলাদেশের সফলতার কাহিনী বর্ণনা করেন। তিনি একবার থেকে বছরে তিনবার ধান চাষ ও কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশ খাদ্যে উদ্বৃত্তের দেশে উন্নীত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বিজ্ঞানীরা লবণাক্ততা, বন্যা ও খরাসহিষ্ণু জাতের ধানসহ বিভিন্ন জাতের ফসলের উদ্ভাবন করেছেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান ও সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদিন উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র : যুগান্তর

কোন মন্তব্য নেই