কনটেন্ট তৈরি করছে সাংবাদিক, আয় খাচ্ছে গুগল
বিশ্বব্যাপীই প্রিন্ট পত্রিকা বন্ধ হচ্ছে। ছাঁটাই হচ্ছে সেসব পত্রিকায় কর্মীরা। কিন্তু পত্রিকা বন্ধ হলেও নিউজ থেকে আয় বাড়ছে গুগলের। অথচ সেই নিউজ কনটেন্ট একটিও গুগলের নিজেদের নয়। সবই সাংবাদিকরা তৈরি করছেন, কিন্তু তারা বঞ্চিত হচ্ছেন সেই আয়ের ভাগ থেকে।২০১৮ সালে গুগল বিভিন্ন দেশের নিউজ কনটেন্ট থেকে আয় করেছে ৪৭০ কোটি মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশী মুদ্রায় ৩৯ হাজার ৫৪৪ কোটি ১৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। নিউ ইয়র্ক টাইমস বলছে, গত বছর সংবাদপত্র শিল্প যুক্তরাষ্ট্রে ডিজিটাল বিজ্ঞাপন থেকে আয় করেছে ৫১০ কোটি মার্কিন ডলার। যা গুগলের থেকে কিছুটা বেশি। এই তথ্যটি নেওয়া হয়েছে দেশটির নিউজ মিডিয়া অ্যালায়েন্স থেকে।
যেখানে অন্তত দুই হাজার পত্রিকা যুক্ত রয়েছে। কিন্তু যেসব সাংবাদিক এসব কনটেন্ট তৈরি করছেন তারা সেই ৪৭০ কোটি মার্কিন ডলারের থেকে পাওনা দাবি রাখেন। কিন্তু গুগল সেটা দিচ্ছে না বলেও অভিযোগ উঠেছে। কারণ, গুগল নিজে কোন কনটেন্ট তৈরি করে না। অ্যালায়েন্সটির প্রধান নির্বাহী ও চেয়ারম্যান ডেভিড শেভরন বলেন, গুগল শুধু কনটেন্টগুলো ব্যবহারকারীদের জন্য উপস্থাপন করে নিজেদের প্লাটফর্মে। আর পুরোটাই করে পাবলিশাররা। তাই এটি নিয়ে একটা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসতে হবে তাদের সঙ্গে বসেই। বর্তমানে গুগলে যে পরিমান ক্লিক পড়ে তার অন্তত ৪০ শতাংশই বিভিন্ন নিউজ খোঁজার জন্য বলে জানানো হয়।অনলাইনে নিউজের জন্য আসা ট্রাফিকের ৮০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে গুগল ও ফেইসবুক। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক ম্যাগাজিনের হিসাবে, ২০০৪ সাল থেকে দেশটির স্থানীয় পাঁচটির মধ্যে একটি পত্রিকা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। আর ২০০৮ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে দেশটিতে অন্তত ২৭ হাজার সংবাদ কর্মী চাকরি হারিয়েছেন।
যেখানে অন্তত দুই হাজার পত্রিকা যুক্ত রয়েছে। কিন্তু যেসব সাংবাদিক এসব কনটেন্ট তৈরি করছেন তারা সেই ৪৭০ কোটি মার্কিন ডলারের থেকে পাওনা দাবি রাখেন। কিন্তু গুগল সেটা দিচ্ছে না বলেও অভিযোগ উঠেছে। কারণ, গুগল নিজে কোন কনটেন্ট তৈরি করে না। অ্যালায়েন্সটির প্রধান নির্বাহী ও চেয়ারম্যান ডেভিড শেভরন বলেন, গুগল শুধু কনটেন্টগুলো ব্যবহারকারীদের জন্য উপস্থাপন করে নিজেদের প্লাটফর্মে। আর পুরোটাই করে পাবলিশাররা। তাই এটি নিয়ে একটা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসতে হবে তাদের সঙ্গে বসেই। বর্তমানে গুগলে যে পরিমান ক্লিক পড়ে তার অন্তত ৪০ শতাংশই বিভিন্ন নিউজ খোঁজার জন্য বলে জানানো হয়।অনলাইনে নিউজের জন্য আসা ট্রাফিকের ৮০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে গুগল ও ফেইসবুক। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক ম্যাগাজিনের হিসাবে, ২০০৪ সাল থেকে দেশটির স্থানীয় পাঁচটির মধ্যে একটি পত্রিকা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। আর ২০০৮ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে দেশটিতে অন্তত ২৭ হাজার সংবাদ কর্মী চাকরি হারিয়েছেন।

কোন মন্তব্য নেই