চোরাই পথে আসছে ভারতীয় গরু - TIMES EXPRESS | টাইমস এক্সপ্রেস is an interactive news portal

নিউজ ফাস্ট

চোরাই পথে আসছে ভারতীয় গরু





এতে দেশীয় খামারিদের পুঁজি হারিয়ে পথে বসার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে


আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তের বিভিন্ন এলাকা দিয়ে চোরাই পথে অবাধে আসছে ভারতীয় গরু।

এতে একটি চক্র যেমন হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের অর্থ, তেমনি সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব। সেই সঙ্গে কাঙ্ক্ষিত মুনাফা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন দেশীয় খামারিরা। তবে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অবৈধভাবে যাতে গরু প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য সতর্ক রয়েছে প্রশাসন।



বিভিন্ন সূত্র জানায়, একটি চক্র কৌশলে সীমান্তের কাঁটা তার পেরিয়ে গোরাংগোলা, পুটিয়া, মাদলাসহ বিভিন্ন এলাকা দিয়ে রাতের অন্ধকারে এসব গরু দেশে এনে সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন গ্রামে রাখে। পরে দালালদের মাধ্যমে সীমান্ত ঘেঁষা বেশ কয়েকটি হাটে পাইকারি ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করা হয় চোরাই পথে আনা গরু। চোরাই পথে আসা গরুর দাম কম হওয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকাররা এসে একটি চক্রের সহযোগিতায় এসব গরু কিনছেন।

সীমান্ত দিয়ে বৈধ পথে যতগুলো ভারতীয় গরু আসে তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি সীমান্ত কাঁটা তার পেরিয়ে দেশে ঢুকছে। এর পেছনে কাজ করছে কয়েকটি চক্র। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশীয় খামারিসহ কৃষকরা।

বেশ কয়েকজন খামারি অভিযোগ করে বলেন, অবৈধভাবে ভারত থেকে আনা গরুতে বাজার সয়লাব হয়ে যাওয়ার কারণে দেশীয় খামারিরা পুঁজি হারিয়ে পথে বসবে। তারা অবৈধ পথে গরুর প্রবেশ বন্ধে সরকারের প্রতি দাবি জানান।

নয়নপুর গরুর বাজার পরিচালনা কমিটির সদস্য নুরুন্নবী আজমল ভারতীয় গরু আসার কথা স্বীকার করে বলেন, শুধু এখান দিয়েই নয় দেশের বিভিন্ন স্থান দিয়েই গরু আসছে।

৬০ বিজিবি’র অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ইকবাল হোসেইন বলেন, "আমরা সর্তক অবস্থায় আছি, গরু যখনই আসছে তখনই ধরছি। যাতে দেশীয় খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।"

জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খাঁন বলেন, "আইন-শৃঙ্খলা সভায় বিজিবি ব্যাটালিয়নের প্রধানদের সীমান্ত দিয়ে যেন অবৈধভাবে গরু আসতে না পারে সে ব্যাপারে বিশেষ সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।"


কোন মন্তব্য নেই