করোনা পরিস্থিতিতে অনলাইনে খাদ্য ও জরুরি পণ্যের বিক্রি বেড়েছে - TIMES EXPRESS | টাইমস এক্সপ্রেস is an interactive news portal

নিউজ ফাস্ট

করোনা পরিস্থিতিতে অনলাইনে খাদ্য ও জরুরি পণ্যের বিক্রি বেড়েছে
















করোনা পরিস্থিতিতে অনলাইনে খাদ্য ও জরুরি পণ্যের বিক্রি বেড়েছে
সময়মত অর্ডার সরবরাহ করতে হিমশিম খাচ্ছে অনলাইন প্রতিষ্ঠানগুলো।
সাধারণ ছুটিতে বিক্রি বেড়েছে দেশের অনলাইনভিত্তিক পণ্য বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলোর। হঠাৎ করেই এমন পরিস্থিতিতে চাহিদামত সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। তবে প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, পণ্যের মজুতে কোনো কমতি নেই, সরবরাহ ব্যবস্থায় বাড়তি চাপের কারণেই অনেকক্ষেত্রে সেবা দিতে দেরি হচ্ছে।

মহামারী করোনাভাইরাসের সংক্রমণে আক্রান্ত সারা বিশ্ব। পরিস্থিতি সামাল দিতে, বাংলাদেশেও দেয়া হয়েছে সাধারণ ছুটি। সচেতন নাগরিকরা নির্দেশনা মেনে থাকছেন ঘরে। খাদ্যপণ্যসহ জরুরি কেনাকাটা করছেন অনলাইনে।

জরুরি অবস্থায় অনলাইনভিত্তিক পণ্য বিক্রি প্রতিষ্ঠানগুলোরও। ক্রেতা চাহিদা মেটাতে দিনরাত কাজ করছেন এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা।

প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, খাদ্যপণ্যসহ জরুরি সেবা নিশ্চিতে পণ্য বিক্রির তালিকা সীমিত করেছেন তারা। সক্ষমতার তুলনায় তিন থেকে চারগুণ অর্ডার পাচ্ছেন তারা।

চালডাল ডট কমের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী জিয়া আশরাফ বলেন, আমরা যেসব পণ্য বেশি দরকারি সেগুলো অর্ডারে প্রাধান্য দিচ্ছি। আমাদের যেখানে তিন থেকে চার হাজার অর্ডার আসতো তা বেড়ে এখন প্রায় ১৫ থেকে ১৬ হাজার হচ্ছে। এতো বেশি অর্ডার দেয়ার মত জনবলও আমাদের নেই। এজন্য আমরা আগে যেভাবে দ্রুত ডেলিভারি দিতে পারতাম তা দিতে এখন দেরি হচ্ছে

এদিকে, করোনা সংক্রমণ রোধে চলাচল সীমিত থাকায় কিছুটা বিপাকে পণ্য ডেলিভারি কর্মীরা। যা সামলাতে তৈরি করা হয়েছে বিশেষ অ্যাপ। তা দিয়ে জরুরি সেবায় নিয়োজিত কর্মীর তথ্য জানতে পারবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।








সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অবস্থা বিবেচনায় সবাই মিলে তা মোকাবিলার চেষ্টা চলছে।

সিন্দাবাদ ডট কমের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী জীশান কিংশুক হক বলেন, আমাদের আগের তুলনায় প্রায় চারগুন অর্ডার বেড়েছে। আমাদের যথেষ্ট স্টক আছে কিন্তু এই স্টক আর তিন চারদিন চলার পরে অর্থাৎ প্রস্তুতকারক এবং আমদানীকারক দিতে পারবেন কি না তা নিয়ে সংশয় আছে।

করোনা থেকে প্রিয় মাতৃভূমিকে বাঁচাতে সরকারি নির্দেশনা মেনে ঘরে থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন অনলাইন বিক্রেতারা। প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্রেতার জরুরি কেনাকাটার প্রয়োজন ঘরে বসেই নিশ্চিত করবেন তারা।

কোন মন্তব্য নেই