নন–ক্যাডার থেকে নিয়োগ পাচ্ছেন সহস্রাধিক প্রার্থী

৩৮তম বিসিএসে আবারও নন–ক্যাডার থেকে নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। আজ বুধবার বিশেষ সভা শেষে এ সিদ্ধান্ত নেয় পিএসসি। এতে প্রায় ১ হাজার ১৩৯ জন নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন। সভায় ১ হাজার ১৩৯ জনকে দ্বিতীয় শ্রেণির পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়।
পদগুলোর মধ্যে রয়েছে খাদ্য অধিদপ্তরের অধীনে খাদ্য পরিদর্শক, সুপারভাইজার, কর পরিদর্শক, প্রটোকল অফিসার, সহকারী লাইব্রেরিয়ান, সহকারী গ্রন্থাগারিক, সহকারী পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, ফরেস্ট রেঞ্জার, জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর অ্যাকাউন্টিং, সহকারী সমাজসেবা অফিসার, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শক, ইন্সট্রাক্টর হিসেবে হিসাববিজ্ঞান, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অধীনে কয়েকটি পদ।
৩৮তম বিসিএসের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও পদের স্বল্পতায় ৬ হাজার ১৭৩ জন ক্যাডার পদে নিয়োগের সুপারিশ পাননি। তাঁদের মধ্য থেকে প্রথম শ্রেণির নন-ক্যাডার পদে নিয়োগের জন্য ৫ হাজার ৩২ জন কমিশনে আবেদন করেন।
বিসিএসের মেধাক্রম ও সংশ্লিষ্ট পদের নিয়োগবিধির ভিত্তিতে ৩ দফায় ১ হাজার ৭৬৩ জনকে প্রথম শ্রেণির নন-ক্যাডার পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। কমিশনের বিশেষ সভায় এসব নিয়োগের এ সুপারিশ করা হয়।
চূড়ান্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও যাঁরা ক্যাডার পান না, তাঁদের মধ্য থেকে প্রথম শ্রেণির নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয় ৩১তম বিসিএস থেকে। বিসিএসে উত্তীর্ণ ব্যক্তিদের মধ্য থেকে (যাঁরা ক্যাডার পাননি) দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিতে ২০১৪ সালের ১৬ জুন নন-ক্যাডার পদের নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন করে সরকার। ৩৮তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করে বিভিন্ন ক্যাডারে ২ হাজার ২০৪ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করে পিএসসি। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গেজেট প্রকাশ করে ২ হাজার ১২৯ প্রার্থীকে নিয়োগের বিষয় চূড়ান্ত করে। পিএসসির সুপারিশ করা তালিকা থেকে ৭৫ জন বাদ পড়েন। বিসিএসের আবেদনের ক্ষেত্রে ৩৮তম বিসিএসে রেকর্ড হয়েছিল। এতে ৩ লাখ ৮৯ হাজার ৪৬৮ প্রার্থী আবেদন করেছিলেন। এই বিসিএসের মাধ্যমে জনপ্রশাসনে ২ হাজার ২৪ ক্যাডার কর্মকর্তার নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল।
কোন মন্তব্য নেই