দ. আফ্রিকায় সংক্রমণ কমছে, উঠল রাতের কারফিউ
করোনাভাইরাসের মহামারির কারণে প্রায় দুই বছর ধরে মধ্যরাতে কারফিউ জারি ছিল। খ্রিষ্টীয় নতুন বছরের শুরুতে এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে দেশটির জনগণ ও ব্যবসায়ীরা।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের নতুন ধরন অমিক্রনের কারণে দেশটিতে সংক্রমণ যেভাবে বাড়ছিল, তা সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌঁছেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দক্ষিণ আফ্রিকাই প্রথম দেশ, যারা অমিক্রন নিয়ে এমন তথ্য জানাল।
এদিকে সরকারের সিদ্ধান্তে সন্তোষ প্রকাশ করে কেপটাউনের হার্ড রক ক্যাফের ব্যবস্থাপক মাইকেল এমচেন্ডে বলেন, ‘গত দুই বছর আমাদের জন্য কঠিন সময় ছিল। আপনি লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন, আমাদের আশপাশের যে দোকানগুলো ছিল, তার অধিকাংশই বন্ধ হয়ে গেছে। এর মধ্য দিয়ে বোঝায় কতটা খারাপ সময় ছিল।’
এদিকে দক্ষিণ আফ্রিকা সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ, টিকা ও স্বাস্থ্য বিভাগের সক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে বিধিনিষেধে পরিবর্তন আনা হয়েছে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে এ–ও বলা হয়েছে, জনসাধারণকে টিকা নিতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে এবং জনসমাগম স্থলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।
নতুন বছরের বার্তা দিয়ে গতকাল শুক্রবার দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা বলেন, ‘আমাদের এটা নিশ্চিত করতে হবে যে উৎসবের এই মৌসুমে আমাদের কাজ, আমাদের আচরণ ও আমাদের সিদ্ধান্তের কারণে করোনার সংক্রমণ, মৃত্যু ও হাসপাতালে রোগী যেন না বাড়ে।’
সিরিল রামাফোসা বলেন, ‘আমি আনন্দিত এ কারণে যে কারফিউ তুলে নেওয়া গেছে।’ তিনি বলেন, ‘আমি খুশি, জনসাধারণের চলাফেরার স্বাধীনতার ফিরে এসেছে। প্রত্যাশা করি, এর মূল্য দিতে হবে না।’
কোন মন্তব্য নেই