উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে স্থবির জাবি - TIMES EXPRESS | টাইমস এক্সপ্রেস is an interactive news portal

নিউজ ফাস্ট

উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে স্থবির জাবি





গতকাল ১ অক্টোবরের আল্টিমেটামের মধ্যে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ না করায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের অপসারণ দাবিতে সর্বাত্মক ধর্মঘট পালন করছেন আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। বুধবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ও পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে তারা ভবন দুটি অবরোধ করে রেখেছেন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে।

বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের কার্যকরী সদস্য রাকিবুল রনি প্রতিদিনের সংবাদকে জানান, গতকাল রাতে কয়েকজন শিক্ষক ড্রাইভার নিয়ে ধর্মঘটের কারণে আগেভাগেই যানবাহন বের করার চেষ্টা করেন। তবে তাদের বাধার মুখে যানবাহন বাইরে নিতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত শিক্ষকদের অনুরোধে তারা একটি বাস বাইরে যেতে দিয়েছেন। এর বাইরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো বাস বাইরে যেতে পারেনি।

জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম পাপ্পু প্রতিদিনের সংবাদকে বলেন, আমরা উপাচার্যকে অপসারণের দাবিতে দুই দিনব্যাপী সর্বাত্মক ধর্মঘট পালন করছি। এর মধ্যে দুই প্রশাসনিক ভবন অবরোধ চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এছাড়া এই সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকবে। তবে পূর্ব নির্ধারিত ফাইনাল পরীক্ষা চলবে। দুদিনের কর্মসূচি শেষ হলে আলোচনা করে পরবর্তী কর্মসূচি দেওয়া হবে।



আন্দোলনের বিষয়ে দর্শন বিভাগের অধ্যাপক কামরুল আহসান প্রতিদিনের সংবাদকে বলেন, উপাচার্যের বিরুদ্ধে অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা থেকে কোটি টাকা ছাত্রলীগকে দেওয়ার অভিযোগ ওঠার পর থেকে আমরা তদন্তের দাবি জানিয়ে আসছি। উপাচার্য নিজেকে নির্দোশ প্রমাণ করতে তখন বিচারিক প্রক্রিয়ায় যেতে পারতেন। এতে তার স্বদিচ্ছার প্রমাণ থাকতো। উপাচার্যকে নির্দোষ প্রমাণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তিনি সে সুযোগ গ্রহণ করনেনি। এরপর তাকে পদত্যাগের আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে। এরপরও তিনি পদত্যাগ করেননি। এখন তার পদত্যাগ ছাড়া কোনো উপায় নেই। এছাড়া উপাচার্যের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে আচার্যের কাছে পাঠানোর জন্য একটা খসড়া তৈরি করা হয়েছে।

‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারের এই ধর্মঘটে বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামী লীগ, বাম ও বিএনপিপন্থি শিক্ষকদের একাংশসহ জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোট, ছাত্র ইউনিয়ন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট ও বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতাকর্মী অংশ নিয়েছেন।


কোন মন্তব্য নেই