বিবিসি, সিএনএনসহ ২৪ টিভি চ্যানেল আবার চালু
এর মধ্যে জি বাংলা, স্টার জলসা, সনি লাইভের মতো জনপ্রিয় ভারতীয় চ্যানেল যেমন ছিল, তেমনি বিবিসি, সিএনএনের মতো নিউজ চ্যানেল এবং স্টার স্পোর্টস, টেন স্পোর্টসের মতো খেলার চ্যানেলও ছিল। বিষয়টি নিয়ে তুমুল আলোচনার মধ্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ অভিযোগ করেন, একযোগে সব বিদেশী চ্যানেল বন্ধ করতে গিয়ে ক্লিন ফিড দেয়—এমন ১৭টি টিভি চ্যানেলও বন্ধ রেখেছেন পরিবেশক ও কেবল অপারেটররা; যা কেবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইনের পরিপন্থী।
মন্ত্রীর হুঁশিয়ারির মধ্যে কেবল অপারেটররা বলেছিলেন, সরকারের তরফ থেকে সেই চ্যানেলগুলোর তালিকা পেলে তারা সম্প্রচার করবেন। পরে ক্লিন ফিড সরবরাহ করে এমন ২৪টি টিভি চ্যানেলের তালিকা দেয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। তালিকায় থাকা চ্যানেলগুলো হলো বিবিসি, সিএনএন, আল জাজিরা, এইচডি, ডিডব্লিউ, কেবিএস ওয়ার্ল্ড, এআরআই র্যাংগ টিভি, এনএইচকে ওয়ার্ল্ড, সিজিটিএন, রাশিয়া টুডে, ফ্রানস ২৪, লোটাস, ট্রাভেল এক্সপি এইচডি, আল কোরান, আল সুন্না, টেন স্পোর্টস, ডিসকভারি, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক, দুবাই স্পোর্টস, মাস্তি টিভি, বিফরইউ মিউজিক, এমটিভি, স্টার স্পোর্টস ১, স্টার স্পোর্টস ২, স্টার স্পোর্টস ৩, স্টার স্পোর্টস ৪।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়, ৩০ সেপ্টেম্বরের পর ক্লিন ফিড ছাড়া কোনো টিভি চ্যানেল কিংবা অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা যাবে না মর্মে সংশ্লিষ্ট সবাইকে চিঠি দেয়া হয়। কিন্তু লক্ষ করা যাচ্ছে কোনো কোনো বিদেশী চ্যানেল ক্লিন ফিড থাকা সত্ত্বেও ১ অক্টোবর থেকে সম্প্রচার বন্ধ রেখেছে; যা কেবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন, ২০১৬-এর পরিপন্থী।

কোন মন্তব্য নেই