গ্রামীণফোনে নারীকর্মী হয়রানির অভিযোগ
কর্মক্ষেত্রে নারীকর্মী হয়রানির অভিযোগ জানিয়েছে গ্রামীণফোন এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (জিপিইইউ)। একই সঙ্গে মোবাইল ফোন অপারেটর কোম্পানি গ্রামীণফোনে গণচাকরিচ্যুতির আশঙ্কাও প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।
২৫ মে, শুক্রবার গণমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে সংগঠনটি এ অভিযোগ ও আশঙ্কা প্রকাশ করে।
জিপিইইউয়ের প্রচার সম্পাদক মো. রফিকুল কবির স্বাক্ষরিত ওই বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, গ্রামীণফোন নারীবান্ধব প্রতিষ্ঠান বলে দাবি করলেও তারা নারীদের হয়রানি শুরু করেছে। ২০১০ সালে কোম্পানির আয় সাত হাজার কোটি টাকা থেকে ২০১৭ সালে বেড়ে সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা হলেও কোম্পানিটি এ সময়ের মধ্যে সাড়ে তিন হাজার জনবল ছাঁটাই করেছে।
বিবৃতিতে জানানো হয়, গত বৃহস্পতিবার অফিস সময়ের পরে ই-মেইলে ১৩ নারীকর্মীকে ঢাকার বাইরে বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে। নতুন কর্মস্থলে ঈদুল ফিতরের আগেই যোগ দিতে তাদেরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জিপিইইউয়ের ভাষ্য, নারীকর্মীদের প্রতি কোম্পানির এই সিদ্ধান্ত অসম্মানজনক। মূলত তাদের চাকরি ছাড়তে বাধ্য করতেই গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ এই পদক্ষেপ নিয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে অনুষ্ঠিত এক জরুরি বৈঠকে গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে জিপিইইউ নেতারা আশঙ্কা করেন, যারা এ সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করবে, তাদেরকে স্বেচ্ছা অবসরের নামে চাকরিচ্যুত করা হতে পারে।
২৬ মে, শনিবার গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষের পাঠানো এক মেইলে জিপিইইউর বক্তব্যে প্রতিবাদ জানানো হয়। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটির গণমাধ্যম শাখার প্রধান সৈয়দ তালাত কামাল স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, গ্রামীণফোনের ভাবমূর্তি নষ্ট করতেই নারীকর্মীদের হয়রানি এবং গণছাঁটাইয়ের অভিযোগের তোলা হয়েছে।
নারী হয়রানি ও গণছাঁটায়ের অভিযোগ অস্বীকার করে বিবৃতিতে বলা হয়, গ্রামীণফোন কর্মক্ষেত্র সমান সুযোগে বিশ্বাসী এবং কোম্পানিতে নারী-পুরুষের অনুপাতে সমতা আনতে চেষ্টা করছে। কোনো প্রমাণ ছাড়া নারী হয়রানির ইঙ্গিত দেওয়া শুধু মানহানিকর নয়, অসৎ উদ্দেশ্যপূর্ণ।
TE

কোন মন্তব্য নেই