জাতীয় নির্বাচনে সেনাবাহিনী থাকবে, সিটিতে নয়: সিইসি
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূর্বল হুদা বলেছেন, ‘জাতীয় নির্বাচনে সেনাবাহিনী থাকবে। তবে কোনও সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে না।’
বরিশাল ও ফরিদপুর অঞ্চলের নির্বাচন কর্মকর্তাদের ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ওপর প্রশিৰণ কর্মসূচি উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। গতকাল বুধবার বেলা ১১টায় বরিশাল মহানগরের সার্কিট হাউসের সভাকৰে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
সিইসি বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী থাকবে। তবে ৩০ জুলাইয়ের তিন সিটি করপোরেশেন নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের সম্ভবনা নেই। পরিস্থিতি তৈরি হলে তখন দেখা যাবে।’
সব দলের অংশগ্রহণে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনে কোনও বিশেষ দলের অংশগ্রহণের জন্য আমরা আলাদা কোনও উদ্যোগ নিতে পারবো না। নির্বাচন যাতে প্রতিযোগিতামূলক হয়, সে জন্য আমরা সব দলকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানাই এবং সব সময় জানিয়ে আসছি। বিএনপি নির্বাচনে আসবে এটা আমরা প্রত্যাশা করি। ’
ইভিএম ব্যবহার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রযুক্তির ৰেত্রে দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে তখন আমরা পুরনো পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ করে কোনও বিড়ম্বনা পোহাতে চাই না। এই পদ্ধতি নিয়ে নিরীৰা করে সুফল পেয়েছি। তাই আমরা পর্যায়ক্রমে এর ব্যবহার করতে চাই। আমরা নিরপেৰ ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে চাই। এজন্য ইভিএম পদ্ধতির গুর্বত্ব অপরিসীম।’
খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘হাতেগোনা কয়েকটি কেন্দ্র ছাড়া সেখানে বাকি সব কেন্দ্রে সুন্দরভাবে ভোট হয়েছে। এখন আমরা শুধু বরিশালে নয়, অন্যান্য সিটি করপোরেশনেও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছি। খুলনায় যে ভুলত্রুটি ধরা পড়েছে সেগুলো কীভাবে শোধরানো যায় তা নিয়ে আমরা কাজ করছি।’
TE

কোন মন্তব্য নেই