আবু হোরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত আছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন,ঘরে বা দোকানে নামাজ পড়া হইতে ( মসজিদের ) জামাতে নামাজ পড়া (অতিরিক্ত) পঁচিশ গুন বেশি সওয়াবের পাত্র। কারন যখন কোন ব্যক্তি উত্তমরূপে ওজু করিয়া অন্য কোন উদ্দেশ্য নয়, একমাত্র নামাজন উদ্দেশ্যে মসজিদের দিকে চলিতে থাকে তখন তাহার প্রত্যেকটি পদক্ষেপে এক একটি গুনাহ্ মাফ হইয়া এবং এক একটি মর্তবা বাড়ান হয়। তারপর সে যখন নামাজ পড়ে, ( এমন কি নামাজান্ত যাবত নামাজ স্থানে বসিয়া থাকে ) ফেরেশতাগন তাহার জন্য দোয়া করিতে থাকেন ‘হে খোদা তাহার গুনাহ্ মাফ কর, হে খোদা - তাহার উপর রহ্মত নাযিল কর’ এবং সে ব্যক্তি নামাজের জন্য যত সময় অপেক্ষায় থাকে - একমাত্র নামাজই তাকে বাড়ি চলিয়া আসা হইতে বাধা দিয়া রাখিয়াছে, তাহার জন্য ঐ সম্পূর্ণ সময় নামাজের মধ্যে গণ্য হয়।- বোখারী শরীফ: হাদিস নং ৩৯৩
আবু হোরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত আছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন,ঘরে বা দোকানে নামাজ পড়া হইতে ( মসজিদের ) জামাতে নামাজ পড়া (অতিরিক্ত) পঁচিশ গুন বেশি সওয়াবের পাত্র। কারন যখন কোন ব্যক্তি উত্তমরূপে ওজু করিয়া অন্য কোন উদ্দেশ্য নয়, একমাত্র নামাজন উদ্দেশ্যে মসজিদের দিকে চলিতে থাকে তখন তাহার প্রত্যেকটি পদক্ষেপে এক একটি গুনাহ্ মাফ হইয়া এবং এক একটি মর্তবা বাড়ান হয়। তারপর সে যখন নামাজ পড়ে, ( এমন কি নামাজান্ত যাবত নামাজ স্থানে বসিয়া থাকে ) ফেরেশতাগন তাহার জন্য দোয়া করিতে থাকেন ‘হে খোদা তাহার গুনাহ্ মাফ কর, হে খোদা - তাহার উপর রহ্মত নাযিল কর’ এবং সে ব্যক্তি নামাজের জন্য যত সময় অপেক্ষায় থাকে - একমাত্র নামাজই তাকে বাড়ি চলিয়া আসা হইতে বাধা দিয়া রাখিয়াছে, তাহার জন্য ঐ সম্পূর্ণ সময় নামাজের মধ্যে গণ্য হয়।- বোখারী শরীফ: হাদিস নং ৩৯৩

কোন মন্তব্য নেই