ভোট হবে উৎসবমুখর, আতঙ্কের কিছু নেই: সিইসি
আজ (শুক্রবার) সকালে নির্বাচন ভবনে ফলাফল ঘোষণা কেন্দ্র ও গণমাধ্যম বুথ পরিদর্শন করতে গেলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন নিয়ে আতঙ্ক রয়েছে বিএনপি ও বিরোধীপক্ষের এমন অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সিইসি বলেন, অবশ্যই ভুল প্রমাণ হবে। আমরা প্রস্তুত, ভোটররা সবাই উৎসবমুখর এবং আনন্দঘন পরিবেশে ভোটে অংশগ্রহণ করবে।
ভোটদানে কাউকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা না করার আহ্বান জানিয়ে সিইসি বলেন, ‘নির্বাচনের প্রচারণা আজ সকাল আটটা থেকে বন্ধ হয়ে গেছে। এখন যারা প্রার্থী ও প্রার্থীর সমর্থকরা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যার যার অবস্থান থেকে নির্বাচনে অংশ নেবেন। কাউকে কোনও রকমে কেউ যেন বাধা না দেয়। যার যার ভোট যেন সে দিতে পারে।’
তিনি বলেন, যাতে করে ভোট দিয়ে নিরাপদে বাড়ি যেতে পারেন। সবার জন্য নিরাপত্তা, সবার জন্য নিরাপদ অবস্থান সৃষ্টি করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অনুরোধ করব। দেশবাসী যারা ভোটার তারা যেন ভোটকেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন সে আশাই করব।
বিদেশিদের উদ্বেগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে সিইসি জানান, না না সেরকম কিছু হবে না। উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট হবে।
নির্বাচনের প্রতীক পাওয়ার পর থেকে টানা ১৮ দিন প্রচার চালানোর পর আজ (শুক্রবার) সকাল ৮টায় নির্বাচন কমিশনের বেঁধে দেওয়া প্রচারের সময়সীমা শেষ হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক পরিপত্রে বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৭৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে ভোটের পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা নির্বাচনী এলাকায় সভা-সমাবেশ, মিছিল ও শোভাযাত্রা করা যাবে না। সে ক্ষেত্রে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে ১ জানুয়ারি বিকেল ৪টা পর্যন্ত সভা-সমাবেশ, মিছিল ও শোভাযাত্রা করা যাবে না।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে নিবন্ধিত ৩৯টি রাজনৈতিক দলই অংশ নিচ্ছে। এক দশক পর ভোটের মাঠে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ ও বিএনপি।
এবারের নির্বাচনে সারা দেশে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এক হাজার আটশর বেশি প্রার্থী। এর মধ্যে ৫০ জনের মতো রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী, বাকিরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের।

কোন মন্তব্য নেই