এভারেস্ট জয় করলেন প্রথম কোন কৃষ্ণাঙ্গ নারী
প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত চূড়া এভারেস্ট জয় করলেন দক্ষিণ আফ্রিকার পর্বতারোহী সারে খুমালো। গত সপ্তাহে তিনি হিমালয় পর্বতমালার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্ট জয় করে রেকর্ড বুকে নিজের নাম উঠাতে সক্ষম হয়েছেন।
৪৭ বছর বয়সি সারে খুমালো একজন বিজনেস এক্সিকিউটিভ। এর আগে তিনি তিনবার এভারেস্টে উঠার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু প্রতিবারই ব্যর্থ হয়ে ফেরত আসতে হয়েছে। অবশেষে গত সপ্তাহে তিনি সফলতার মুখ দেখেন এবং ৮ হাজার ৮৪৮ মিটার দৈর্ঘ্যের বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু পর্বত শীর্ষে আরোহণ করেন।
এভারেস্ট জয়ী কৃষ্ণাঙ্গ এই নারী জানতেন তিনি যদি এভারেস্টের শীর্ষে উঠতে পারেন তাহলে নতুন ইতিহাস তৈরি করবেন। আর এই বিষয়টিই তাকে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা দিয়েছে বলে জানান সারে খুমালো।
নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার একটি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে খুমালো জানান, তিনবার তিনি এভারেস্টে উঠার চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু তিনবারই ব্যর্থ হয়েছেন। তবে হতাশ হননি। কারণ কোন কিছু ছেড়ে দেয়া একমাত্র বিকল্প হতে পারে না বলে ধারণা করতেন তিনি।
খুমালো বলেন, ‘আমি যখন এই পদক্ষেপ নেই তখন খুব ভালোভাবেই জানতাম এটি খুব বড় একটি প্রকল্প। এবং এটি অবশ্যই শেষ করতে হবে। আমার মনে হয় ব্যর্থ হওয়ার পরেও বার বার চেষ্টা করে যাওয়ার পিছনে এটি একটি বড় কারণ। ’
তিনি জানান, এভারেস্টে উঠার আগে তার ১৬ এবং ২১ বছর বয়সি দুই পুত্রের সঙ্গে এই অভিযানের বিপদজনক দিকগুলো নিয়ে কথা বলেছেন। তারা জানতো তাদের মা কোন বিষয়ে অযথাই ঝুঁকি নেবেন না।
খুমালো উল্লেখ করেন, লাইব্রেরি তৈরি করা এবং আফ্রিকার শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রমে সহায়তা করতে তহবিল সংগ্রহের কাজে তার এই অভিযানকে ব্যবহার করবেন তিনি।
ইতিহাস সৃষ্টি করা এই নারী জানান, এরপর তিনি প্রতিটি মহাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত চূড়ায় উঠার চেষ্টা করবেন। এখন থেকে এটাই তার প্রধান লক্ষ্য। এভারেস্ট ছাড়াও তিনি তানজানিয়ার মাউন্ট কিলিমানজারো, আর্জেন্টিনার অ্যাকোনকাগুয়া এবং রাশিয়ার মাউন্ট অ্যালব্রুস জয় করেন।
উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার শিবুসিসো ভিলান প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ হিসেবে এভারেস্ট জয় করেছিলেন।
৪৭ বছর বয়সি সারে খুমালো একজন বিজনেস এক্সিকিউটিভ। এর আগে তিনি তিনবার এভারেস্টে উঠার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু প্রতিবারই ব্যর্থ হয়ে ফেরত আসতে হয়েছে। অবশেষে গত সপ্তাহে তিনি সফলতার মুখ দেখেন এবং ৮ হাজার ৮৪৮ মিটার দৈর্ঘ্যের বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু পর্বত শীর্ষে আরোহণ করেন।
এভারেস্ট জয়ী কৃষ্ণাঙ্গ এই নারী জানতেন তিনি যদি এভারেস্টের শীর্ষে উঠতে পারেন তাহলে নতুন ইতিহাস তৈরি করবেন। আর এই বিষয়টিই তাকে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা দিয়েছে বলে জানান সারে খুমালো।
নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার একটি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে খুমালো জানান, তিনবার তিনি এভারেস্টে উঠার চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু তিনবারই ব্যর্থ হয়েছেন। তবে হতাশ হননি। কারণ কোন কিছু ছেড়ে দেয়া একমাত্র বিকল্প হতে পারে না বলে ধারণা করতেন তিনি।
খুমালো বলেন, ‘আমি যখন এই পদক্ষেপ নেই তখন খুব ভালোভাবেই জানতাম এটি খুব বড় একটি প্রকল্প। এবং এটি অবশ্যই শেষ করতে হবে। আমার মনে হয় ব্যর্থ হওয়ার পরেও বার বার চেষ্টা করে যাওয়ার পিছনে এটি একটি বড় কারণ। ’
তিনি জানান, এভারেস্টে উঠার আগে তার ১৬ এবং ২১ বছর বয়সি দুই পুত্রের সঙ্গে এই অভিযানের বিপদজনক দিকগুলো নিয়ে কথা বলেছেন। তারা জানতো তাদের মা কোন বিষয়ে অযথাই ঝুঁকি নেবেন না।
খুমালো উল্লেখ করেন, লাইব্রেরি তৈরি করা এবং আফ্রিকার শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রমে সহায়তা করতে তহবিল সংগ্রহের কাজে তার এই অভিযানকে ব্যবহার করবেন তিনি।
ইতিহাস সৃষ্টি করা এই নারী জানান, এরপর তিনি প্রতিটি মহাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত চূড়ায় উঠার চেষ্টা করবেন। এখন থেকে এটাই তার প্রধান লক্ষ্য। এভারেস্ট ছাড়াও তিনি তানজানিয়ার মাউন্ট কিলিমানজারো, আর্জেন্টিনার অ্যাকোনকাগুয়া এবং রাশিয়ার মাউন্ট অ্যালব্রুস জয় করেন।
উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার শিবুসিসো ভিলান প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ হিসেবে এভারেস্ট জয় করেছিলেন।

কোন মন্তব্য নেই