শেলটেকের এমডি তৌফিক এম সেরাজ আর নেই
দেশের স্বনামধন্য আবাসন প্রতিষ্ঠান শেলটেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তৌফিক এম সেরাজ আর নেই। ২১শে জুন বাংলাদেশ সময় ভোররাত পৌনে ৩টার দিকে কাতারের দোহা বিমানবন্দরে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ... রাজিউন)। শেলটেকের চেয়ারম্যান কুতুবউদ্দিন আহমেদ এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর। তিনি মা, স্ত্রী, দুই মেয়েসহ অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। পেশায় প্রকৌশলী তৌফিক এম সেরাজ ছিলেন আবাসন ব্যবসায়ীদের প্রতিষ্ঠান রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) প্রথম সভাপতি।
শেলটেকের হেড অব মার্কেটিং মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম জানান, ব্যবসায়িক কাজে শেলটেকের চেয়ারম্যান কুতুবউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে স্পেনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন তিনি। ঢাকার হজরত শাহজালাল বিমানবন্দন ছাড়ার পর ফ্লাইটটি কাতারের দোহা বিমানবন্দর পৌঁছানোর আগেই হৃদরোগে আক্রান্ত হন তৌফিক এম সিরাজ। ফ্লাইটটি দোহা বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে।
সেখানে মারা যান তিনি। তিনি বলেন, তৌফিক এম সেরাজের মরদেহ এখনো দোহা বিমানবন্দরেই রয়েছে। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে যত দ্রুত সম্ভব দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।
শেলটেকের চেয়ারম্যান কুতুবউদ্দিন আহমেদ বলেন, দোহার একটি হাসপাতালের হিমঘরে তার মরদেহ রাখা হয়েছে। আজ শনিবারের মধ্যে জানা যাবে তার মরদেহ কবে ঢাকায় ফিরবে। তার পরিবার জানিয়েছে, মরদেহ ঢাকায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।
বাংলাদেশের অন্যতম প্রতিভাবান প্রকৌশলী তৌফিক এম সেরাজের মৃত্যুতে রিহ্যাব শোক প্রকাশ করে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
রিহ্যাব সভাপতি আলমগীর সামসুল আরেফিন বলেন, তৌফিক এম সেরাজের সঙ্গে আছেন শেলটেকের চেয়ারম্যান কুতুবউদ্দিন আহমেদ। কুতুবউদ্দিনের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। মরহুমের লাশ আনার জন্য কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। আজ শনিবারের মধ্যেই জানা যাবে লাশ কবে আসবে। এর পর পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জানাজা সময় ও স্থান ঘোষণা করা হবে।
ড. তৌফিক এম সেরাজ একজন স্থাপত্যের জাদুকর। এই দেশের নগর, শহর ও পৌর স্থাপত্য নিয়ে বিস্তর গবেষণা করেছেন। তিনি যুক্তরাজ্যের লিভারপুল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সিভিক ডিজাইনে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। রিয়েল এস্টেটের উন্নয়ন, নির্মাণ ব্যবস্থাপনা ও পরিকল্পনা নিয়ে তার লেখা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন জার্নালে ছাপা হয়েছে। এ নিয়ে তার বেশ কিছু বই রয়েছে। বইগুলো হলো- নাগরিক সমস্যা ও নগর পরিকল্পনা, রিয়েল এস্টেট ডেভেলপমেন্ট, সিলেকটেড আরটিকলস অন প্ল্যানিং অ্যান্ড হাউজিং (১৯৮২-২০১২) ও প্রাইভেট সেক্টর হাউজিং।
শেলটেকের প্রথম বাণিজ্যিক প্রকল্প ছিল ‘শেলটেক এনক্লেভ’। ১১৭ ডিআইটি রোডে নির্মিত এই প্রকল্পটিতে ফ্ল্যাট ছিল ১৬টি। ৮০০ স্কয়ারফিটের প্রতিটি ফ্ল্যাটের দাম তখন ছিল ৬ লাখ টাকা। ইটের গাঁথুনিতে নির্মিত হয়েছিল এই ভবনটি। ফ্ল্যাটটিতে কোনো লিফট ছিল না। সাদামাটা সেই ভবনটি দিয়েই শুরু হয়েছিল শেলটেকের আবাসন-ব্যবসার যাত্রা।
শেলটেকের হেড অব মার্কেটিং মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম জানান, ব্যবসায়িক কাজে শেলটেকের চেয়ারম্যান কুতুবউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে স্পেনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন তিনি। ঢাকার হজরত শাহজালাল বিমানবন্দন ছাড়ার পর ফ্লাইটটি কাতারের দোহা বিমানবন্দর পৌঁছানোর আগেই হৃদরোগে আক্রান্ত হন তৌফিক এম সিরাজ। ফ্লাইটটি দোহা বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে।
সেখানে মারা যান তিনি। তিনি বলেন, তৌফিক এম সেরাজের মরদেহ এখনো দোহা বিমানবন্দরেই রয়েছে। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে যত দ্রুত সম্ভব দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।
শেলটেকের চেয়ারম্যান কুতুবউদ্দিন আহমেদ বলেন, দোহার একটি হাসপাতালের হিমঘরে তার মরদেহ রাখা হয়েছে। আজ শনিবারের মধ্যে জানা যাবে তার মরদেহ কবে ঢাকায় ফিরবে। তার পরিবার জানিয়েছে, মরদেহ ঢাকায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।
বাংলাদেশের অন্যতম প্রতিভাবান প্রকৌশলী তৌফিক এম সেরাজের মৃত্যুতে রিহ্যাব শোক প্রকাশ করে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
রিহ্যাব সভাপতি আলমগীর সামসুল আরেফিন বলেন, তৌফিক এম সেরাজের সঙ্গে আছেন শেলটেকের চেয়ারম্যান কুতুবউদ্দিন আহমেদ। কুতুবউদ্দিনের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। মরহুমের লাশ আনার জন্য কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। আজ শনিবারের মধ্যেই জানা যাবে লাশ কবে আসবে। এর পর পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জানাজা সময় ও স্থান ঘোষণা করা হবে।
ড. তৌফিক এম সেরাজ একজন স্থাপত্যের জাদুকর। এই দেশের নগর, শহর ও পৌর স্থাপত্য নিয়ে বিস্তর গবেষণা করেছেন। তিনি যুক্তরাজ্যের লিভারপুল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সিভিক ডিজাইনে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। রিয়েল এস্টেটের উন্নয়ন, নির্মাণ ব্যবস্থাপনা ও পরিকল্পনা নিয়ে তার লেখা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন জার্নালে ছাপা হয়েছে। এ নিয়ে তার বেশ কিছু বই রয়েছে। বইগুলো হলো- নাগরিক সমস্যা ও নগর পরিকল্পনা, রিয়েল এস্টেট ডেভেলপমেন্ট, সিলেকটেড আরটিকলস অন প্ল্যানিং অ্যান্ড হাউজিং (১৯৮২-২০১২) ও প্রাইভেট সেক্টর হাউজিং।
শেলটেকের প্রথম বাণিজ্যিক প্রকল্প ছিল ‘শেলটেক এনক্লেভ’। ১১৭ ডিআইটি রোডে নির্মিত এই প্রকল্পটিতে ফ্ল্যাট ছিল ১৬টি। ৮০০ স্কয়ারফিটের প্রতিটি ফ্ল্যাটের দাম তখন ছিল ৬ লাখ টাকা। ইটের গাঁথুনিতে নির্মিত হয়েছিল এই ভবনটি। ফ্ল্যাটটিতে কোনো লিফট ছিল না। সাদামাটা সেই ভবনটি দিয়েই শুরু হয়েছিল শেলটেকের আবাসন-ব্যবসার যাত্রা।

কোন মন্তব্য নেই