বার্জার পেইন্টসের বার্ষিক মুনাফা বেড়েছে ১৪%
দেশের রঙের বাজারে গত বছর ভালো ব্যবসা করেছে বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড। এ সময় কোম্পানিটির বার্ষিক বিক্রয় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৭ শতাংশের মতো আর কর-পরবর্তী মুনাফায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৪ দশমিক ৪৭ শতাংশ। বিশ্ববাজারে কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নের প্রভাবে মুনাফা নিয়ে চাপে থাকলেও ব্যয়সংকোচনের মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে কোম্পানিটি।
জানতে চাইলে বার্জার বাংলাদেশের কোম্পানি সচিব খন্দকার আবু জাফর সাদিক বণিক বার্তাকে বলেন, কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নের কারণে কোম্পানির ব্যবসায় কিছুটা প্রভাব পড়েছে। তবে পরিচালন ব্যয় সংকোচনের মাধ্যমে আমরা সেটিতে সমন্বয় করার চেষ্টা করছি। অবশ্য এটি গত বছর নয়, আরো আগেই শুরু হয়েছে। সর্বশেষ হিসাব বছরে আমাদের ৭ শতাংশের মতো বিক্রি বেড়েছে। আর বিক্রি বাড়ায় আমাদের নিট মুনাফায়ও উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
মিরসরাই ও ফেনীতে নির্মাণাধীন অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৩০ একর জমি কী কাজে লাগানো হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা এখনো সেখানে জমি বুঝে পাইনি। জমি বুঝে পাওয়ার পর সেখানে কী করা যায়, সে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তবে সেখানে নতুন ইউনিট করার সম্ভাবনা রয়েছে।
৩১ মার্চ সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২০৪ কোটি ৬৬ লাখ টাকা, যা আগের হিসাব বছরে ছিল ১৭৮ কোটি ৭৮ লাখ ৯৪ হাজার টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৭৬৯ কোটি টাকা, যা আগের বছর ছিল ১ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকা। ৩১ মার্চ ২০১৯ সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ২৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে বার্জার পেইন্টস। গত বছর কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪৪ টাকা ১৩ পয়সা। ৩১ মার্চ কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৭৬ টাকা ১৮ পয়সায়।
এর আগে ৩১ মার্চ সমাপ্ত ২০১৮ হিসাব বছরের জন্য ২০০ শতাংশ নগদ ও ১০০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে বার্জার পেইন্টস। গত বছর কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৭৭ টাকা ১০ পয়সা। ৩১ মার্চ কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২৮৪ টাকা ১১ পয়সায়।
২০১৭ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত ১৫ মাসে সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ১৭৫ শতাংশ অন্তর্বর্তী লভ্যাংশের পর আরো ৪২৫ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ দেয়
বার্জার পেইন্টস। ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ৩৭০ শতাংশ নগদ দেয় বার্জার পেইন্টস।
ডিএসইতে গতকাল বার্জার পেইন্টসের শেয়ারদর ১ দশমিক ২৯ শতাংশ বা ১৮ টাকা ৭০ পয়সা বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৪৭১ টাকায়। দিনভর দর ১ হাজার ৪৪০ টাকা থেকে ১ হাজার ৪৭৫ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে। সমাপনী দর ছিল ১ হাজার ৪৬৭ টাকা ৩০ পয়সা, যা আগের কার্যদিবসে ছিল ১ হাজার ৪৫২ টাকা ৩০ পয়সা। এদিন ৪৮৯ বারে কোম্পানিটির মোট ৭ হাজার ১৪১টি শেয়ার লেনদেন হয়।
এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন দর ছিল ১ হাজার ১০১ টাকা ২০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ২ হাজার ১৩০ টাকা।
২০০৬ সালে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪৬ কোটি ৩৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভ ৬২৪ কোটি ১৩ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে ৯৫ শতাংশ উদ্যোক্তা-পরিচালক, ২ দশমিক ২১ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, ১ দশমিক ৩২ শতাংশ বিদেশী ও ১ দশমিক ৪৭ শতাংশ রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।
সর্বশেষ নিরীক্ষিত ইপিএস ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারটির মূল্য-আয় অনুপাত বা পিই রেশিও ৩৮ দশমিক শূন্য ৬, অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে যা ৩৩ দশমিক ২৫।
জানতে চাইলে বার্জার বাংলাদেশের কোম্পানি সচিব খন্দকার আবু জাফর সাদিক বণিক বার্তাকে বলেন, কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নের কারণে কোম্পানির ব্যবসায় কিছুটা প্রভাব পড়েছে। তবে পরিচালন ব্যয় সংকোচনের মাধ্যমে আমরা সেটিতে সমন্বয় করার চেষ্টা করছি। অবশ্য এটি গত বছর নয়, আরো আগেই শুরু হয়েছে। সর্বশেষ হিসাব বছরে আমাদের ৭ শতাংশের মতো বিক্রি বেড়েছে। আর বিক্রি বাড়ায় আমাদের নিট মুনাফায়ও উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
মিরসরাই ও ফেনীতে নির্মাণাধীন অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৩০ একর জমি কী কাজে লাগানো হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা এখনো সেখানে জমি বুঝে পাইনি। জমি বুঝে পাওয়ার পর সেখানে কী করা যায়, সে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তবে সেখানে নতুন ইউনিট করার সম্ভাবনা রয়েছে।
৩১ মার্চ সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২০৪ কোটি ৬৬ লাখ টাকা, যা আগের হিসাব বছরে ছিল ১৭৮ কোটি ৭৮ লাখ ৯৪ হাজার টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৭৬৯ কোটি টাকা, যা আগের বছর ছিল ১ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকা। ৩১ মার্চ ২০১৯ সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ২৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে বার্জার পেইন্টস। গত বছর কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪৪ টাকা ১৩ পয়সা। ৩১ মার্চ কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৭৬ টাকা ১৮ পয়সায়।
এর আগে ৩১ মার্চ সমাপ্ত ২০১৮ হিসাব বছরের জন্য ২০০ শতাংশ নগদ ও ১০০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে বার্জার পেইন্টস। গত বছর কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৭৭ টাকা ১০ পয়সা। ৩১ মার্চ কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২৮৪ টাকা ১১ পয়সায়।
২০১৭ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত ১৫ মাসে সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ১৭৫ শতাংশ অন্তর্বর্তী লভ্যাংশের পর আরো ৪২৫ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ দেয়
বার্জার পেইন্টস। ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ৩৭০ শতাংশ নগদ দেয় বার্জার পেইন্টস।
ডিএসইতে গতকাল বার্জার পেইন্টসের শেয়ারদর ১ দশমিক ২৯ শতাংশ বা ১৮ টাকা ৭০ পয়সা বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৪৭১ টাকায়। দিনভর দর ১ হাজার ৪৪০ টাকা থেকে ১ হাজার ৪৭৫ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে। সমাপনী দর ছিল ১ হাজার ৪৬৭ টাকা ৩০ পয়সা, যা আগের কার্যদিবসে ছিল ১ হাজার ৪৫২ টাকা ৩০ পয়সা। এদিন ৪৮৯ বারে কোম্পানিটির মোট ৭ হাজার ১৪১টি শেয়ার লেনদেন হয়।
এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন দর ছিল ১ হাজার ১০১ টাকা ২০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ২ হাজার ১৩০ টাকা।
২০০৬ সালে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪৬ কোটি ৩৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভ ৬২৪ কোটি ১৩ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে ৯৫ শতাংশ উদ্যোক্তা-পরিচালক, ২ দশমিক ২১ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, ১ দশমিক ৩২ শতাংশ বিদেশী ও ১ দশমিক ৪৭ শতাংশ রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।
সর্বশেষ নিরীক্ষিত ইপিএস ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারটির মূল্য-আয় অনুপাত বা পিই রেশিও ৩৮ দশমিক শূন্য ৬, অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে যা ৩৩ দশমিক ২৫।
সূত্র


কোন মন্তব্য নেই