ঈদের আগেই খালেদা জিয়ার মুক্তি চান ড. কামাল
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগেই মুক্তি দেয়ার দাবি জানিয়েছে গণফোরাম।
আজ রোববার গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ড. রেজা কিবরিয়া এক যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি জানান।
গণফোরামের দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ আজাদ হোসেন স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে জানাই ঈদ শুভেচ্ছা। দেশের সব সম্প্রদায়ের মানুষ সীমিত সাধ্যের মধ্যে মিলেমিশে ঈদ আনন্দ উপভোগ করে। এটাই আমাদের ঐতিহ্য, তা ভবিষ্যতেও বহমান থাকবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ঈদের আগেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ সব রাজবন্দিদের মুক্তি দাবি করছি। সেইসঙ্গে সব হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার এবং পুলিশি নির্যাতন বন্ধের আহ্বান জানাচ্ছি, যেন সবাই পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে পারে।
প্রসঙ্গত, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সাজাসহ অর্থদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫। পরে ৩০ অক্টোবর হাইকোর্ট এ মামলায় সাজা বৃদ্ধি করে ১০ বছর করেন। ওই বছরের ২৮ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসনকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
বর্তমানে ওই দুই রায়ের সাজা ভোগ করছেন খালেদা জিয়া। তবে এরইমধ্যে সাজার রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেছেন খালেজা জিয়া।
আজ রোববার গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ড. রেজা কিবরিয়া এক যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি জানান।
গণফোরামের দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ আজাদ হোসেন স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে জানাই ঈদ শুভেচ্ছা। দেশের সব সম্প্রদায়ের মানুষ সীমিত সাধ্যের মধ্যে মিলেমিশে ঈদ আনন্দ উপভোগ করে। এটাই আমাদের ঐতিহ্য, তা ভবিষ্যতেও বহমান থাকবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ঈদের আগেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ সব রাজবন্দিদের মুক্তি দাবি করছি। সেইসঙ্গে সব হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার এবং পুলিশি নির্যাতন বন্ধের আহ্বান জানাচ্ছি, যেন সবাই পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে পারে।
প্রসঙ্গত, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সাজাসহ অর্থদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫। পরে ৩০ অক্টোবর হাইকোর্ট এ মামলায় সাজা বৃদ্ধি করে ১০ বছর করেন। ওই বছরের ২৮ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসনকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
বর্তমানে ওই দুই রায়ের সাজা ভোগ করছেন খালেদা জিয়া। তবে এরইমধ্যে সাজার রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেছেন খালেজা জিয়া।

কোন মন্তব্য নেই