ডিজিটাল অর্থনীতির ৬৭% তিন জায়ান্টের দখলে - TIMES EXPRESS | টাইমস এক্সপ্রেস is an interactive news portal

নিউজ ফাস্ট

ডিজিটাল অর্থনীতির ৬৭% তিন জায়ান্টের দখলে



সামগ্রিক অর্থনীতির একটি আলাদা ক্ষেত্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে ডিজিটাল অর্থনীতি। দ্রুত বর্ধমানশীল এ অর্থনীতির আকার এখন অবিশ্বাস্য! পাশাপাশি শক্তিমত্তায়ও বাড়ছে। আর্থিক ও সামাজিক পরিবর্তনে নিয়ন্ত্রণ হয়ে উঠছে অনেক করপোরেশন। তাছাড়া এই ডিজিটাল অর্থনীতির নিয়ন্ত্রকের আসনে রয়েছে মাত্র তিনটি টেক জায়ান্ট। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ই-মার্কেটারের হিসাবে, ডিজিটাল অর্থনীতির ৬৭ শতাংশই



গুগল, ফেসবুক ও অ্যামাজনের নিয়ন্ত্রণে! খবর বিজনেস ইনসাইডার।

সার্চ জায়ান্ট গুগল, জনপ্রিয় সোস্যাল মিডিয়া ফেসবুক ও ই-কমার্স জায়ান্ট অ্যামাজন বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান কোম্পানিগুলোর মধ্যে অন্যতম। ই-মার্কেটারের উপাত্ত অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে অনলাইন মার্কেটও নিয়ন্ত্রণ করছে এ তিনটি কোম্পানি।

অনলাইন বিজ্ঞাপন ব্যয়ের তিন ভাগের দুই ভাগই যায় গুগল, ফেসবুক অথবা অ্যামাজনের প্লাটফর্মে। এর মধ্যে সোস্যাল মিডিয়ার বিজ্ঞাপনের সিংহভাগ পায় ফেসবুক। পাশাপাশি মোবাইল অ্যাডের দিক থেকেও ক্রমেই গুগলের কাছাকাছি চলে যাচ্ছে জাকারবার্গের এ কোম্পানি।

ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের বাজারে উদীয়মান শক্তি অ্যামাজন। যদিও কোম্পানির প্রধান ব্যবসা ই-কমার্স বা অনলাইন খুচরা ব্যবসা। যুক্তরাষ্ট্রে বছরে অনলাইনে যে পরিমাণ কেনাকাটা হয়, তার ৩৭ দশমিক ৭ শতাংশই যায় অ্যামাজনের ক্যাশ রেজিস্টারে।



এদিকে ইন্টারনেট সহজলভ্য হওয়ার কারণে সারা বিশ্বেই টেলিভিশন শিল্প এখন হুমকির মুখে। এই সুবিধা নিচ্ছে গুগল ও অ্যামাজন। রাজস্ব আয়ের নতুন ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে ভিডিও স্ট্রিমিং ব্যবসা। যুক্তরাষ্ট্রের যত মানুষ টিভি স্ক্রিনে স্ট্রিমিং ভিডিও দেখেন, তাদের প্রায় ২৭ শতাংশই অ্যামাজনের গ্রাহক। আর প্রায় ১৭ শতাংশ গুগলের সেবা নেন অথবা ডিভাইস ব্যবহার করেন। লক্ষণীয় যে, এখানে শুধু টেলিভিশন দর্শকদের হিসাব দেয়া হয়েছে, যারা টিভি স্ক্রিনে স্ট্রিমিং ভিডিও দেখেন। তাছাড়া একজন গ্রাহক একই সঙ্গে একাধিক স্ট্রিমিং সেবাও নিয়ে থাকেন।

প্রসঙ্গত, শুধু রাজস্ব আয়ের বিবেচনায় নয়, বরং উল্লিখিত তিন মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান নানাভাবে বেশ প্রভাবশালীও হয়ে উঠছে। আর্থসামাজিক পরিবর্তনে তাদের প্রভাব অনস্বীকার্য। এ ধরনের বৃহৎ প্রযুক্তি কোম্পানির ক্ষমতা নিয়ে সম্প্রতি মার্কিন সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন বলেছেন, এসব করপোরেশনকে কয়েক ভাগে বিভক্ত করার সময় এসেছে।

সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সরকারি নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও রাজনীতিকরাও টেক জায়ান্টগুলোর ক্রমবর্ধমান ক্ষমতা নিয়ে সরব হয়েছে। যদিও কোম্পানিগুলোর দাবি, ইন্টারনেটের বাজারে প্রতিযোগিতা অত্যন্ত কঠিন। এখানে কোম্পানিগুলো সবসময় একে অন্যের ওপর নিঃশ্বাস ফেলে।


কোন মন্তব্য নেই