ডিসির অনৈতিক কাজে ক্ষুব্ধ জামালপুরবাসী, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের খাস কামরায় এক নারী অফিস সহকারীর সাথে জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীরের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ঘটনায় সারাদেশে তোলপাড় শুরু হয়েছে। জামালপুর জেলা জুড়ে বইছে নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ঘটনাটির ব্যাপক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
এরই মধ্যে বিষয়টি টক অবধি কান্ট্রিতে পরিণত হয়েছে। ডিসির এই অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জামালপুর জেলার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণের অভিযোগে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে জামালপুরবাসী। দ্রুত নিরপেক্ষ বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে নানা শ্রেণি পেশার মানুষ।
জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড. মুহম্মদ বাকী বিল্লাহ বলেন, এ ঘটনায় জামালপুর জেলাবাসীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে। প্রশাসনিকভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত করে বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন। লজ্জাকর এই ঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
জামালপুর নাগরিক আন্দোলনের আহ্বায়ক মানবাধিকার কর্মী জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, জেলা প্রশাসকের এ ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে সরকারি-বেসরকারি অফিস-আদালতগুলোতে কাজ করতে নারী কর্মীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবে। তিনি নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
শিক্ষক সমিতির নেতা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ ন্যাক্কারজনক এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দেশের প্রচলিত আইনে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
রাজনীতিবিদ অধ্যাপক আমীর উদ্দিন বলেন, বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় একজন জেলা প্রশাসক এ ধরনের ঘটনা ঘটাতে পারে। চরম অনৈতিক এ ঘটনায় তিনি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ তাকে দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি জানান।
জেলা জাসদের সভাপতি জাহিদ হাবীব বলেন, ন্যাক্কারজনক এ ঘটনা ঘটিয়ে জেলা প্রশাসক এ পদে থাকার অধিকার হারিয়ে ফেলেছে। জামালপুরবাসীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নকারী সরকারের এ কর্মকর্তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান তিনি।

কোন মন্তব্য নেই