প্রমোদতরী ২৪৫ দিনে বিশ্বভ্রমণ
দেশ ভ্রমণের শখ বহু মানুষের। অনেকেই প্রতি বছর এক বা একাধিক দেশ ঘুরে জীবনকে সমৃদ্ধ করেন। ভ্রমণপিপাসু এই মানুষদের জন্য এবার অভিনব এক বিশ্বভ্রমণের আয়োজন করেছে সুইজারল্যান্ডের খ্যাতনামা একটি সংস্থা। বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ ভ্রমণের জন্য যাত্রীদের প্রয়োজন হবে বিপুল অর্থ আর কয়েকটি খালি ডায়েরি।
প্রথমবারের মতো কোনো প্রমোদতরী ২৪৫ দিনে (আট মাসে) ছয়টি মহাদেশের ৫১টি দেশ আর ১১২টি বন্দরে নোঙর করবে। এই সফর স্থান করে নেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে। 'আলটিমেট ওয়ার্ল্ড ক্রুজ' নামের এই ভ্রমণে ২৭০ বর্গফুট একটি কক্ষের ভাড়া ধরা হয়েছে ৬৬ হাজার ৯৯০ পাউন্ড (৬৮ লাখ ৮১ হাজার টাকা) আর সবচেয়ে বিলাসবহুল স্যুটের ভাড়া এক লাখ ৯৪ হাজার ৩৯০ পাউন্ড (প্রায় ২ কোটি টাকা)।
স্ক্যান্ডেনেভিয়া থেকে ক্যারিবিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা থেকে দক্ষিণ প্যাসিফিক, অস্ট্রেলিয়া থেকে এশিয়া ঘুরে ভূমধ্যসাগর ও ইউরোপে ফিরবে 'ভাইকিং সান' নামের প্রমোদতরীটি। এ সময় ২৩টি শহরে রাতে অবস্থান করবে এটি। এর মধ্যে রয়েছে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরো, আর্জেন্টিনার উশুয়াইয়া, তাসমানিয়ার হোবার্ট, ভিয়েতনামের হো চি মিন সিটি, মিসরের লুক্সর এবং আমাদের প্রতিবেশী ভারতের মুম্বাই।
ভাইকিং সানে রয়েছে পৃথক ব্যালকনিসহ ৯৩০ অতিথির থাকার জায়গা; রয়েছে ৪৬৫টি স্টোররুম। আজ রোববার যুক্তরাজ্যের গ্রিনউইচ থেকে যাত্রা শুরু করবে এটি। ইতিমধ্যেই সব কক্ষ বরাদ্দ হয়ে গেছে। তবে যাত্রীর সবাই পুরো যাত্রায় থাকছেন না। পুরো পথে অবস্থান করে যুক্তরাজ্যের ৫৪ জন, যুক্তরাষ্ট্রের ৪০ জন এবং অস্ট্রেলিয়ার ১০ জন গড়বেন ইতিহাস। বাকিরা অর্ধেক যাত্রা শেষে চলে যাবেন এবং তাদের জায়গায় উঠবেন নতুন যাত্রীরা। সুইজারল্যান্ডের বাসেলভিত্তিক ভাইকিং সান ক্রুজের প্রতিষ্ঠাতা টোরস্টেইন হাজেন বলেন, 'এই শিল্পে সবচেয়ে ব্যাপকভিত্তিক হচ্ছে আমাদের এই আলটিমেট ওয়ার্ল্ড ক্রুজ। এর আগের বিশ্বভ্রমণের দ্বিগুণ পথ পাড়ি দেব আমরা।'
প্রমোদতরীটিতে যাত্রীদের সাঁতারের জন্য রয়েছে দুটি পুল। আছে নরডিক স্পা। বিশ্রামের জন্য উইন্টার গার্ডেন। অভিজাত স্যুটে রয়েছে মৌলিক চিত্রকর্ম, সমুদ্র দেখার সুব্যবস্থা, ১২ জনের বেডরুম, ডাইনিংরুম আর কিচেন। প্রমোদতরীটিতে আটটি রেস্তোরাঁয় থাকবে ২৪৫ পদের খাবার। সেখানে এত পদ থাকবে যে, তা চিন্তা করাও কঠিন।
এ ধরনের প্রমোদতরীতে সাধারণত ভ্রমণ করেন ৬৫ বছরের বেশি বয়সী অবসরপ্রাপ্ত মানুষ। জীবনের সবচেয়ে কৌতূহলোদ্দীপক ও উত্তেজনাপূর্ণ অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ হন তারা।
এই প্রমোদভ্রমণের কি কোনো নেতিবাচক দিকই নেই? পরিবেশবাদীরা বলছেন, আছে। ফ্রেন্ডস অব দ্য আর্থ ইউএস নামের সংস্থার ভেসেল প্রোগ্রাম ডিরেক্টর মার্সি কিভার বলেন, 'প্রমোদভ্রমণে আমাদের পরিবেশের ওপর তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব পড়ে। কার্বন ডাই-অক্সাইড থেকে শুরু করে মলমূত্র ও দূষিত পানির মতো ক্ষতিকর উপাদান জমা হয়। আর এই ভ্রমণটি যদি হয় ২৪৫ দিনের, তবে পরিবেশ দূষণও হবে ব্যাপকমাত্রায়।'
প্রথমবারের মতো কোনো প্রমোদতরী ২৪৫ দিনে (আট মাসে) ছয়টি মহাদেশের ৫১টি দেশ আর ১১২টি বন্দরে নোঙর করবে। এই সফর স্থান করে নেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে। 'আলটিমেট ওয়ার্ল্ড ক্রুজ' নামের এই ভ্রমণে ২৭০ বর্গফুট একটি কক্ষের ভাড়া ধরা হয়েছে ৬৬ হাজার ৯৯০ পাউন্ড (৬৮ লাখ ৮১ হাজার টাকা) আর সবচেয়ে বিলাসবহুল স্যুটের ভাড়া এক লাখ ৯৪ হাজার ৩৯০ পাউন্ড (প্রায় ২ কোটি টাকা)।
স্ক্যান্ডেনেভিয়া থেকে ক্যারিবিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা থেকে দক্ষিণ প্যাসিফিক, অস্ট্রেলিয়া থেকে এশিয়া ঘুরে ভূমধ্যসাগর ও ইউরোপে ফিরবে 'ভাইকিং সান' নামের প্রমোদতরীটি। এ সময় ২৩টি শহরে রাতে অবস্থান করবে এটি। এর মধ্যে রয়েছে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরো, আর্জেন্টিনার উশুয়াইয়া, তাসমানিয়ার হোবার্ট, ভিয়েতনামের হো চি মিন সিটি, মিসরের লুক্সর এবং আমাদের প্রতিবেশী ভারতের মুম্বাই।
ভাইকিং সানে রয়েছে পৃথক ব্যালকনিসহ ৯৩০ অতিথির থাকার জায়গা; রয়েছে ৪৬৫টি স্টোররুম। আজ রোববার যুক্তরাজ্যের গ্রিনউইচ থেকে যাত্রা শুরু করবে এটি। ইতিমধ্যেই সব কক্ষ বরাদ্দ হয়ে গেছে। তবে যাত্রীর সবাই পুরো যাত্রায় থাকছেন না। পুরো পথে অবস্থান করে যুক্তরাজ্যের ৫৪ জন, যুক্তরাষ্ট্রের ৪০ জন এবং অস্ট্রেলিয়ার ১০ জন গড়বেন ইতিহাস। বাকিরা অর্ধেক যাত্রা শেষে চলে যাবেন এবং তাদের জায়গায় উঠবেন নতুন যাত্রীরা। সুইজারল্যান্ডের বাসেলভিত্তিক ভাইকিং সান ক্রুজের প্রতিষ্ঠাতা টোরস্টেইন হাজেন বলেন, 'এই শিল্পে সবচেয়ে ব্যাপকভিত্তিক হচ্ছে আমাদের এই আলটিমেট ওয়ার্ল্ড ক্রুজ। এর আগের বিশ্বভ্রমণের দ্বিগুণ পথ পাড়ি দেব আমরা।'
প্রমোদতরীটিতে যাত্রীদের সাঁতারের জন্য রয়েছে দুটি পুল। আছে নরডিক স্পা। বিশ্রামের জন্য উইন্টার গার্ডেন। অভিজাত স্যুটে রয়েছে মৌলিক চিত্রকর্ম, সমুদ্র দেখার সুব্যবস্থা, ১২ জনের বেডরুম, ডাইনিংরুম আর কিচেন। প্রমোদতরীটিতে আটটি রেস্তোরাঁয় থাকবে ২৪৫ পদের খাবার। সেখানে এত পদ থাকবে যে, তা চিন্তা করাও কঠিন।
এ ধরনের প্রমোদতরীতে সাধারণত ভ্রমণ করেন ৬৫ বছরের বেশি বয়সী অবসরপ্রাপ্ত মানুষ। জীবনের সবচেয়ে কৌতূহলোদ্দীপক ও উত্তেজনাপূর্ণ অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ হন তারা।
এই প্রমোদভ্রমণের কি কোনো নেতিবাচক দিকই নেই? পরিবেশবাদীরা বলছেন, আছে। ফ্রেন্ডস অব দ্য আর্থ ইউএস নামের সংস্থার ভেসেল প্রোগ্রাম ডিরেক্টর মার্সি কিভার বলেন, 'প্রমোদভ্রমণে আমাদের পরিবেশের ওপর তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব পড়ে। কার্বন ডাই-অক্সাইড থেকে শুরু করে মলমূত্র ও দূষিত পানির মতো ক্ষতিকর উপাদান জমা হয়। আর এই ভ্রমণটি যদি হয় ২৪৫ দিনের, তবে পরিবেশ দূষণও হবে ব্যাপকমাত্রায়।'

কোন মন্তব্য নেই