নিউজ ফাস্ট

দেশের সবচেয়ে বড় সেতু হবে বরিশাল-ভোলা



সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বরিশাল ও ভোলার মধ‌্যে সংযোগ সেতু নির্মাণ করা হবে। আর এটিই হবে দেশের সবচেয়ে বড় সেতু।’

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর বনানীতে সেতু ভবনের সম্মেলন কক্ষে সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি। সে সময় তিনি সেতুটির ভায়াডাক্টের পরে প্রায় আট কিলোমিটার ফিজিবিলিটি শেষ হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ‘ভোলার সঙ্গে বরিশালসহ অন্য জেলাগুলোর সংযুক্ত করতেই নির্মিত করা হবে দেশের এ দীর্ঘতম সেতু। যার দৈর্ঘ্য হবে ৮ দশমিক ৬৪ কিলোমিটার, যা নির্মাণাধীন পদ্মা সেতুর চেয়েও বড়। সরকারের সবচাইতে বড় মেগাপ্রকল্প বলা চলে এটিকে।’

২০২১ সালের জুনের মধ্যে পদ্মাসেতু জনসাধারণের চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হবে বলেও জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘পদ্মাসেতুর সার্বিক অগ্রগতি ৭৫ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। অনেক চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে পদ্মাসেতু আজ দৃশ্যমান। পদ্মার তীব্র স্রোতের কারণে এখানকার মাটি সরে যায়। এখন পর্যন্ত পদ্মা সেতুর ১৫টি পিলার বসেছে। আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত আরো ছয়টি পিলারের টার্গেট রয়েছে। আশা করি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করে ২০২১ সালের জুনের মধ্যে পদ্মাসেতু খুলে দেয়া সম্ভব হবে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্প পদ্মাসেতু। প্রধানমন্ত্রীর সাহসিকতার ফল আজকের এ পদ্মাসেতু। প্রধানমন্ত্রীর পরিবারকে অপবাদ দিয়ে বিশ্বব্যাংক যখন সরে যায়, তখন আকাশে ছিল ঘনকুয়াশা ও মেঘ। তখন সবাই বললো, এ সেতু কী আর হবে? বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা তখন সাহসের সঙ্গে বললেন, বিশ্বব্যাংক সরে গেছে, তাতে কী হবে, আমরা নিজস্ব অর্থে এ সেতু নির্মাণ করব। তখন অনেকে ব্যাঙ্গ করেছিল, কিন্তু আজ স্বপ্নের সেই পদ্মাসেতু বাস্তব হয়ে গেছে।’

সে সময় বিশ্বব্যাংক রাজধানীতে নতুন বিআরটি প্রকল্প করার প্রস্তাব দিয়েছে বলেও জানান সেতুমন্ত্রী।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিশ্বব্যাংক ঢাকা শহরে নতুন বিআরটি (বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট) প্রকল্প করার জন্য প্রস্তাব দিয়েছে, কিন্তু এ মুহূর্তে যেহেতু মেট্রোরেল ও বিআরটি প্রকল্পের কাজ চলছে, তাই নতুন করে আরেকটি বিআরটি প্রকল্প নিয়ে ঢাকা শহরকে অচল করতে চাই না।’

সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

No comments