বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস আজ ওরা ভালো নেই - TIMES EXPRESS | টাইমস এক্সপ্রেস is an interactive news portal

নিউজ ফাস্ট

বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস আজ ওরা ভালো নেই







দেশে বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল আশঙ্কাজনক হারে কমছে। বসবাসের নিশ্চিন্ত জায়গা হারিয়ে এসব প্রাণী বাধ্য হয়ে চলে আসছে লোকালয়ে। সেখানে তাদের অবাধ বিচরণের সুযোগ তো থাকেই না, বরং প্রতি মুহূর্তে তাড়া করে নৃশংসতার হুমকি। নির্বিচারে প্রাণ হারায় অনেক প্রাণী। বিচিত্র প্রজাতির পাখি, তক্ষকসহ নানা স্তন্যপায়ী প্রাণী পাচারেরও শিকার হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

অন্যদিকে, সরকারের বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের কারণেও হুমকির মুখে বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণী। বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যে হচ্ছে রেলপথ, সংরক্ষিত বনের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, কক্সবাজারের সোনাদিয়া দ্বীপে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের ফলে আবাসস্থল হারিয়ে হুমকির মুখে পড়বে কয়েকশ' প্রজাতির প্রাণী। প্রকল্পটির কারণে সবার আগে হুমকির মুখে পড়বে বিপন্ন প্রজাতির পাখি চামচঠুঁটো বাটান। বন্যপ্রাণী বিপন্নের পাশাপাশি নানা ভাইরাসের সংক্রমণও বাড়তে পারে।

এমন পরিস্থিতিতে আজ মঙ্গলবার পালিত হচ্ছে বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস। এবার দিবসটির প্রতিপাদ্য- 'পৃথিবীর অস্তিত্বের জন্য প্রাণিকুল বাঁচাই'। এ উপলক্ষে নানা কর্মসূচি পালন করছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বনের ভেতরেই প্রাণীরা অপেক্ষাকৃত বেশি নিরাপদ। কিন্তু সমস্যা হলো, এসব প্রাণীর বসবাসের জায়গা মানুষের কবজায় চলে যাচ্ছে। ফলে বাধ্য হয়ে প্রাণী চলে আসছে লোকালয়ে। এ ছাড়া বেশ কিছু প্রাণী রয়েছে, যেগুলো নামে বন্যপ্রাণী হলেও বিচরণ করতে পারে যে কোনো স্থানে। ঘরের চালে কিংবা গাছের মগডালে, বাড়ির আঙিনা থেকে ডাঙা, সর্বত্রই ঘুরে বেড়ায় তারা।

গ্রামীণ ঝোপঝাড়সহ ডাঙায় বিচরণকারী এসব বন্যপ্রাণীই রয়েছে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বিপদের মধ্যে। তাদের প্রতি নৃশংসতা, নিষ্ঠুরতা আর নির্মমতা কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না। চার মাস আগে মৌলভীবাজারের এক গ্রামে ৩৫ শিশু-কিশোরকে কামড় দেওয়ার 'অপরাধ' প্রমাণ হওয়ায় একটি বানরের মৃত্যুদণ্ড হয়েছিল 'জনতার আদালতে'। গাছে ঝুলিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে ও খুঁচিয়ে বানরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরও হয়। ওই খবরে অনেকের হৃদয় কাঁপলেও এতটুকু অনুশোচনা হয়নি বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণভাগ উত্তর ইউনিয়নের গ্রামবাসীর। কারণ, তারা নাকি জানতেনই না বন্যপ্রাণী হত্যা দণ্ডনীয় অপরাধ।

জেনে কিংবা না জেনে বন্যপ্রাণীর ওপর হামলে পড়ার উদাহরণ এটিই প্রথম বা শেষ নয়। এ পর্যন্ত অগণিত বন্যপ্রাণী মানুষের হিংস্রতার শিকার হয়েছে। বিভিন্ন সময় লোকালয়ে ধরা পড়ে নির্মমভাবে প্রাণ হারিয়েছে মায়াহরিণ, অজগর, লজ্জাবতী বানর, ইন্ডিয়ান রুইটড টারটল, গুইসাপ, তিলা ঘুঘু, ভারতীয় মোল, রেসাস বানর, শঙ্খিনী সাপ, বনবিড়াল, বন্য শূকর ও বিভিন্ন প্রকারের পাখি।

ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব ন্যাচারের (আইইউসিএন) সর্বশেষ সমীক্ষা অনুযায়ী, দেশ থেকে ইতোমধ্যে ৩১ প্রজাতির বন্যপ্রাণী বিলুপ্ত হয়ে গেছে। দেশে এখন এক হাজার ৮২ প্রজাতির বন্যপ্রাণী রয়েছে।

বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের হিসাব অনুযায়ী, শুধু ঢাকা ইউনিটের অধীনেই গত আট বছরে পাচারকালে জব্দ হয়েছে ৩২ হাজারের বেশি বন্যপ্রাণী। ঢাকাসহ মোট সাতটি ইউনিটের অধীনে দেশব্যাপী বন্যপ্রাণী পাচার বন্ধে অভিযান চলছে। বন বিভাগের এক গবেষণায় দেখা গেছে, দেশের বিভিন্ন স্থানে সাত বছরে পাচারের সময় আটক হয়েছে সুন্দরবনের ১৩টি বাঘ ও এগুলোর অঙ্গপ্রত্যঙ্গ।

বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দে সমকালকে বলেন, 'পারিপার্শ্বিক নানা কারণে বন্যপ্রাণী ঝুঁকিতে রয়েছে সত্যি; তবে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে এসব প্রাণীকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করতে। এর অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে দেশে গড়ে তোলা হয়েছে ২০টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য। মানুষের মাঝে সচেতনতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।'

তবে নামে 'সংরক্ষিত এলাকা' হলেও বাস্তবের চিত্র ভিন্নরকম বলে মনে করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ মনিরুল এইচ খান। আইনের মতো বাস্তবেও এলাকাগুলো 'রক্ষিত' করা জরুরি উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'আইনগতভাবে বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য বা জীববৈচিত্র্য সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা হলেও বাস্তবে চিত্রটা অন্যরকম। কয়েক বছর আগেও দেশে প্রাকৃতিক বন ও জলাশয় মোটামুটি স্বস্তির পর্যায়ে ছিল। ক্রমেই বন উজাড় হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে ইতোমধ্যে অনেক বন্যপ্রাণী বিলুপ্ত হয়ে গেছে। সবচেয়ে আশঙ্কার বিষয় হলো, যে পরিমাণ বন্যপ্রাণী বিলুপ্ত হয়েছে, তার চেয়ে অনেক বেশি বর্তমানে বিলুপ্তির ঝুঁকিতে।'

এদিকে, বন্যপ্রাণী বিলুপ্তির প্রভাবে স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি আরও বাড়বে বলে জানান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. গাজী সৈয়দ মোহাম্মদ আসমত। তিনি সমকালকে বলেন, 'সিলেট থেকে টেকনাফ পর্যন্ত যে পরিমাণ জীববৈচিত্র্য ছিল তা সারাদেশে ছিল না। আইন অমান্য করে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে একের পর প্রকল্প নেওয়ায় তা হারিয়ে যাচ্ছে। নষ্ট হচ্ছে বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল। তারা মানুষের কাছে আসছে। যার কারণে করোনাভাইরাসের মতো জুনোটিক ডিজিজ (প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে ছড়ানো) বেড়ে যাবে। বন্যপ্রাণী বিপন্ন হলে পরাগায়ন নষ্ট হয়ে যাবে। ফলে নতুন বন তৈরি হবে না। একসময় পুরো প্রাকৃতিক ব্যবস্থাই নষ্ট হয়ে যাবে।'

পাচার থেমে নেই :বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের বন্যপ্রাণী পরিদর্শক নার্গিস সুলতানা সমকালকে জানান, ২০১২ সালে গঠিত হওয়ার পর থেকে তারা বন্যপ্রাণী পাচারসহ এ-সংক্রান্ত অপরাধ দমনে কাজ করছেন। গত ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শুধু তাদের ইউনিট দ্বারা পরিচালিত হয়েছে ৫৮৭টি অভিযান। এসব অভিযানে ২৯৮টি মামলা রেকর্ড হয়েছে এবং ১০৭ আসামিকে আটক করে বিভিন্ন দণ্ড দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এ পর্যন্ত ৩২ হাজারের বেশি বন্যপ্রাণী 'আটক' করা হয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি রয়েছে প্রায় ২৪ হাজার। স্তন্যপায়ী প্রাণী ২৬৪টি। আট থেকে ১০টি হরিণও জব্দ হয়েছে তাদের অভিযানে।

বন অধিদপ্তর জানায়, দেশে ইতোমধ্যে জাতীয় পশুর জন্য 'টাইগার অ্যাকশন প্ল্যান' প্রণয়ন করা হয়েছে। শকুন সংরক্ষণে 'বিশেষ শকুন সংরক্ষণ অঞ্চল' ঘোষণা করা হয়েছে। ডলফিন সংরক্ষণে পাবনা জেলার তিনটি অঞ্চল ও সুন্দরবনে ডলফিন অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হয়েছে। তবু বন্যপ্রাণীকে পাচার ও বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না।

বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞরা জানান, বন্যপ্রাণীর এই সংকটের নেপথ্যে রয়েছে তাদের আবাসস্থল ধ্বংস। বন অধিদপ্তরের হিসাবমতে, দেশে মোট ভূমির শতকরা ১৭.৫ শতাংশ বনভূমি। তবে প্রকৃত বনভূমি আচ্ছাদিত বন এলাকার পরিমাণ শতকরা আট ভাগেরও কম। উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বনভূমির পরিমাণ ৩.৫ শতাংশে নেমে এসেছে। ফলে হুমকিতে পড়েছে দেশের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য। শিল্পায়নসহ নানা ইস্যুতে দিনে দিনে উজাড় হচ্ছে বনভূমি।






পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রায় এক লাখ ৫৮ হাজার ৩১ হেক্টর বনভূমি সরকারি-বেসরকারি সংস্থার নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে জবরদখল হয়ে গেছে প্রায় দুই লাখ ৬৮ হাজার ২৬৫ একর বনভূমি। সবমিলিয়ে বনভূমি ধ্বংসের পরিমাণ চার লাখ ১৬ হাজার ২৬৫ একর। জানা গেছে, পৃথিবীতে প্রায় চার বিলিয়ন হেক্টর বনভূমি রয়েছে। বর্তমানে পৃথিবীব্যাপী মাথাপিছু বনের পরিমাণ ০.৬ হেক্টর। আর বাংলাদেশে ০.০১৭ হেক্টর।

বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যেই রেলপথ : দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে দেশের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ও সংরক্ষিত বনাঞ্চল হলো চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, ফাসিয়াখালি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ও মেধাকচ্ছপিয়া জাতীয় উদ্যান। এগুলোর ভেতর দিয়ে ১২৮ কিলোমিটার রেলপথ তৈরি করছে সরকার। এর মধ্যে ২৭ কিলোমিটার রেলপথ যাবে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ভেতর দিয়ে। ফলে হুমকির মুখে পড়বে ২৩৪ প্রজাতির বন্যপ্রাণী।

আইইউসিএনের লাল তালিকা অনুযায়ী বিপন্ন, অতি বিপন্ন, বিপদাপন্ন, হুমকিতে রয়েছে এমন ৬১টি প্রজাতির প্রাণী রয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বিপদাপন্ন হাতি। দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত সমীক্ষায় এ তথ্য উঠে এসেছে। সমীক্ষায় দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি জীববৈচিত্র্য রয়েছে চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যে। তিন বনাঞ্চলে ২৩৪ প্রজাতির বন্যপ্রাণীর মধ্যে আইইউসিএনের লাল তালিকা অনুযায়ী, সরীসৃপ পাখির মধ্যে বিপদাপন্ন প্রজাতি ৫টি, স্তন্যপায়ী প্রাণীর মধ্যে বিপন্নের পথে ৫টি, বিপদাপন্ন ১০টি এবং হুমকিতে আছে ২টি।

তিন বনাঞ্চলে ৯৯ প্রজাতির পাখির দেখা মিলেছে। এর মধ্যে চুনতিতে ৮১ প্রজাতি, ফাসিয়াখালিতে ৩৭ প্রজাতি ও মেধাকচ্ছপিয়ায় ২২ প্রজাতির পাখি রয়েছে। এসব পাখির মধ্যে অতি বিপন্নের পথে ৩টি, বিপন্নের পথে ৫টি, বিপদাপন্ন ১৯টি এবং হুমকিতে ৭টি।






এ ছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগের রামগড়-সীতাকুণ্ড সংরক্ষিত বনের ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন করছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। মাতারবাড়ী-মদুনাঘাট-মেঘনাঘাট ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইনের জন্য ১৩ কিলোমিটার বন কাটা হবে। এই অঞ্চলে রয়েছে সবচেয়ে জীববৈচিত্র্যসমৃদ্ধ এলাকা বারৈয়াঢালা জাতীয় উদ্যান ও হাজারিখিলে বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য। রয়েছে প্রায় ২৫ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ১২৩ প্রজাতির পাখি, আট প্রজাতির উভচর, ২৫ প্রজাতির উদ্ভিদ। বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের কারণে এসব প্রজাতির বন্যপ্রাণী হুমকির মুখে পড়বে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বন ও পরিবেশ বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, 'এ বনে রয়েছে দেশের বিরল প্রজাতির সুউচ্চ বৈলাম বৃক্ষ। এ বনের ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ লাইন নিয়ে যাওয়া হলে যেমন গাছ কাটা পড়বে, তেমনি বিদ্যুৎ লাইনের কারণে মারা যেতে পারে বিভিন্ন ধরনের প্রাণীও। হুমকির মুখে পড়বে বন্যপ্রাণী।'

এদিকে, ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে রোহিঙ্গাদের জন্য বন উজাড় করে কয়েক লাখ অস্থায়ী শিবির নির্মাণের ফলে বন্যপ্রাণীর চলাচল ও খাদ্য সংগ্রহে তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে। কমে গেছে আবাসস্থল। ফলে দিন দিন বন্যপ্রাণীর সঙ্গে মানুষের সংঘাত বাড়ছে। বন বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, ২০০১ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলায় ৮৮টি হাতি মারা গেছে।






বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ চট্টগ্রাম বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবু নাছের মোহাম্মদ ইয়াছিন নেওয়াজ সমকালকে বলেন, 'শুধু উন্নয়ন প্রকল্প নয়, বনাঞ্চলে মানুষের হস্তক্ষেপ, অবাধে বন্যসম্পদ আহরণ, পাহাড় কাটা, দখল ও বন কেটে বাগান তৈরির কারণে বন্যপ্রাণী বিপন্ন হচ্ছে। এসব রোধ করা না গেলে জীববৈচিত্র্য রক্ষা সম্ভব হবে না।

কোন মন্তব্য নেই