করোনার কারণে পোশাক শিল্পের অর্ডার কমেছে ১৫ থেকে ৩০ শতাংশ - TIMES EXPRESS | টাইমস এক্সপ্রেস is an interactive news portal

নিউজ ফাস্ট

করোনার কারণে পোশাক শিল্পের অর্ডার কমেছে ১৫ থেকে ৩০ শতাংশ

করোনাভাইরাসের কারণে ১৫ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত অর্ডার কমিয়েছে বাংলাদেশের পোশাক ক্রেতারা। অনেক ব্র্যান্ড আবার আপাতত স্থগিত করেছে কার্যাদেশ। তাই প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে উৎপাদন।
কারখানার খরচ সাশ্রয়ের দিকে হাঁটছেন মালিকরা। বন্ধ রেখেছেন নতুন শ্রমিক নিয়োগও। এমন অবস্থায় পোশাক খাতের জন্য সংকটকালীন তহবিল গঠনের আহ্বান জানিয়েছে বিজিএমইএ।

চীনের বন্ধ কারখানা ধীরে ধীরে খুলতে শুরু করেছে। দেশের পোশাক খাতে কাঁচামালের সংকটও হয়তো কেটে যাবে। কিন্তু মুশকিল হচ্ছে, ইউরোপে তীব্র হচ্ছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। প্রতিদিনই আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে ইতালি, জার্মানি, যুক্তরাজ্যে। অথচ এই দেশগুলোই বাংলাদেশী পোশাকের বড় ক্রেতা।

এফবিসিসিআই সহ-সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ' যদি ইউরোপ আমেরিকা এটা কন্ট্রোল করতে না পারে, তবে আমরা যারা গার্মেন্টস ব্যবসায় জড়িত তাদের সাপ্লাই চেনেও ডিসটার্ব হচ্ছে। আবার আমি সে সকল দেশে এক্সপোর্ট করি সেখানে যদি লোকজন মার্কেটে না যায়, কেনাকাটা না করে, তবে আমি এক্সপোর্ট করতে পারবো না।'

ইউরোপে চাহিদা কমায়, দেশের পোশাক কারখানার শ্রমিকদের প্রায় অলস সময় কাটছে। এই কারখানায় এ পর্যন্ত দুইটি ক্রেতা অর্ডার স্থগিত করেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক কবে হবে, তা জানা নেই এখনও।

শুধু এই কারখানাই নয়, দেশের প্রায় সব পোশাক রপ্তানিকারকই ভুগছেন এই সংকটে। বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক বলেন, 'অর্ডার যেগুলো প্লেস করেছে বলসে সেগুলো কমিয়ে নেবে। অর্ডার যেগুলো প্লেস করেছে সেগুলো থেকে ১৫ থেকে ৩০ ভাগ কমিয়ে নেবে বলে জানিয়েছে। সরকারের কাছে আবেদন করেছি, এই মুহুর্তে একটি ডিজাস্টার রিলিফ ফান্ড প্রস্তুত রাখতে।'

কার্যাদেশ বাতিল বা স্থগিত হওয়ায়, মার্চ-এপ্রিলে রপ্তানি থেকে আয় কমছে কারখানা মালিকদের। এমন অবস্থায় ঈদের বেতন বোনাস বাবদ বাড়তি চাপ সামলাতে হবে উদ্যোক্তাদের।

কোন মন্তব্য নেই