করোনা ঠেকাতে আরও কড়া স্পেন-ফ্রান্স
করোনাভাইরাস ঠেকাতে ইতালির দেখাদেখি আরও কঠোর পদক্ষেপে গেল ইউরোপের বড় দুই দেশ স্পেন ও ফ্রান্স।
বিবিসি জানায়, অতি প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও ওষুধ বা কাজ ছাড়া বাড়ির বাইরে যেতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে স্পেন। আর ফ্রান্সে ক্যাফে, রেস্টুরেন্ট, সিনেমা হল ও বেশির ভাগ দোকান বন্ধ রাখা হয়েছে।
স্পেনে ইতিমধ্যে ১৯১ জন করোনায় মারা গেছেন। আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৬ হাজার ৩০০ জন। ইউরোপে ইতালির পরই দেশটিতে সবচেয়ে খারাপ প্রভাব ফেলেছে করোনা।
স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের স্ত্রী বেগোয়া গোমেজের শরীরেও এই ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়েছে বলে সরকার নিশ্চিত করেছে।
সব জাদুঘর, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও খেলার ভেন্যু বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। রেস্টুরেন্ট ও ক্যাফেগুলো শুধু হোম ডেলিভারি দেবে। ব্যাংক ও পেট্রল স্টেশন খোলা থাকবে। তবে ইতিমধ্যে সারা দেশের স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
আপাতত দুই সপ্তাহ এই জরুরি অবস্থা চলবে। ১৯৭৫ সালে গণতন্ত্রে ফেরা দেশটির জন্য এটি দ্বিতীয়বারের মতো জরুরি অবস্থা ঘোষণা। এর আগে ২০১০ সালে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারদের ধর্মঘটের সময় প্রথমবার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়।
এ দিকে ফ্রান্সে মারা গেছে ৯১ জন, আরও ৪ হাজার ৪০০ সংক্রমণের খবর পাওয়া গেছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী এদুয়ার ফিলিপ্পে জানান, ইনসেনটিভ কেয়ারে মানুষের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে এবং শুরুতে সাধারণ মানুষকে জনসমাগম বিশেষক যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল, তা তারা অগ্রাহ্য করেছে।
এর প্রেক্ষিতে শনিবার রেস্টুরেন্ট, ক্যাফে, সিনেমা, নাইটক্লাব ও অত্যাবশ্যকীয় নয় এমন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়। আর খোলা থাকবে খাবারের দোকান, ওষুধের দোকান, ব্যাংক, তামাকের দোকান ও পেট্রল স্টেশন।
তবে রবিবারের স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান খোলা থাকলেও জনসমাগম ও অনুষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। আর পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত সোমবার থেকে সব স্কুল বন্ধ থাকবে।
এ দিকে ইতালিতে ১ হাজার ৪৪০ জন মারা গেছে। সোমবার থেকে সারা দেশ অবরুদ্ধ থাকবে।
সূত্র : দেশ রূপান্তর

কোন মন্তব্য নেই