শুধুই প্রতিশ্রুতি মিলেছে, পাকা হয়নি বেহাল সড়ক
জানা যায়, দেশ স্বাধীনের আগে থেকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের কিয়ামতলী বাজার হতে নবিনগর খালেকের দোকান পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার সড়ক। এই সড়ক দিয়ে কুড়িপাড়া, মন্ডলপাড়া, সরকারপাড়া, বালুঘাট, নবীনগরসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার লোকের বসবাস। ওই সব এলাকায় রয়েছে কমিউনিটি ক্লিনিকসহ বেশকিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
স্থানীয়রা ছাড়াও ওই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন পার্শ্ববর্তী বকশিগঞ্জ ও ইসলামপুরের ফুলকারচর, টানাব্রীজ এলাকার হাজার হাজার লোক চলাচল করে। তবে আজো এ সড়কের কোনো উন্নয়ন হয়নি। জাতীয় সংসদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউপি নির্বাচনের সময় জনপ্রতিনিধিরা বিভিন্ন জনসমাবেশে সড়কটি পাকা করণের প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।
ফলে বর্ষা এলে চরম দুর্ভোগে পড়েন হাজার হাজার মানুষ। কেউ অসুস্থ হলে অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। গর্ভবতী নারী ও অসুস্থ বৃদ্ধদের নিয়ে চরম বিপাকে পড়তে হয় এলাকাবাসীদের। এমনকি অটোরিকশা, ভ্যান, মোটরসাইকেল চলাচলে হিমশিম খাচ্ছে চলাচলকারীরা।
সারা দেশে উন্নয়নের হাওয়া বইলেও ওই এলাকার রাস্তাঘাটের উন্নয়ন না হওয়ায় এলাকাবাসী ও পথচারীরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম বলেন, সড়কটি পাকা করতে যে পরিমাণ টাকার প্রয়োজন তা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বহন করা সম্ভব নয়। এ জন্য আমি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে সড়কটি পাকাকরণের জন্য স্থানীয় এমপি ও প্রশাসনকে একাধিকবার অবগত করেছি। কিন্তু কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
সড়কটির দুরবস্থার সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর হোসাইন বলেন, ওই সড়কের এক কিলোমিটার পাকাকরণের বরাদ্দ হয়েছে। দ্রুত কাজ শুরু হবে। পরবর্তীতে বরাদ্দ পেলে অবশিষ্ট সড়কও পাকা করা হবে।

কোন মন্তব্য নেই