চীনে খাদ্য ঘাটতি থেকে নজর ফেরাতে কঠিন পথ ধরবেন শি
চাপে পড়ে শি কী করতে পারেন? ‘দ্য তাইপে টাইমস’-এর সম্পাদকীয়তে বলা হয়, খাদ্য ঘাটতি থেকে চীনা জনগণের নজর ফেরাতে শি জিন পিং কঠিন পথ ধরতে পারেন।
পথটা হলো সংঘাতের পথ এবং সেটা ভারত সীমান্তে ঝামেলা বাঁধানোর মতো সহজ কিছু নয়। তাই তাইওয়ানের সঙ্গে চীনের ভয়াবহ সংঘাত তৈরি করার আশঙ্কা রয়েছে। জুলাই মাসে চীনে খাদ্য মূল্য বেড়েছে শতকরা ১৩ ভাগ। শূকরের মূল্য বেড়েছে ৮৫ ভাগ। উচ্চমূল্যের আশায় চাষিরা ফসল মজুদ করছে। শুরুতে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে ‘বাম্পার ফলন’ হবে প্রচার করা হলেও, পরের দিকে খাদ্য অপচয় বন্ধের আবেদন জানানো হয়।
প্রেসিডেন্ট শি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তার বক্তৃতায় অপচয় লজ্জাকর আর একটু একটু করে সঞ্চয় করা প্রশংসনীয়- এ রকম একটা সামাজিক পরিবেশ গড়ে তুলতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানান। তাইপে টাইমস বলছে, এই ডাক অনেকটা ‘দিনে শুধু দুই বেলা খাবে’ ডাকের মতোই। ১৯৫৯-১৯৬১ পর্যন্ত চলমান বিরাট দুর্ভিক্ষের সময় মাওজেদং এ রকম প্রচারণা চালিয়েছিলেন। তাইওয়ানি পত্রিকাটির ধারণা, খাদ্য ঘাটতি মোকাবিলায় ব্যর্থ হলে যে দুর্ভিক্ষ হবে তা থেকে দেশবাসীর নজর ফেরাতে আগ্রাসনের মওকা খুঁজছেন শি।

কোন মন্তব্য নেই