সাবসিডিয়ারির কাছ থেকে ৮৯১ কোটি টাকার লভ্যাংশ পাচ্ছে
গতকাল স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে ইউপিজিডিসিএল শেয়ারহোল্ডারদের জানিয়েছে, এ বছরের ৩১ মার্চ সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সাবসিডিয়ারি কোম্পানি ইউনাইটেড এনার্জি লিমিটেড ৭৫০ কোটি টাকার অন্তর্বর্তীকালীন নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। সাবসিডিয়ারি কোম্পানির ৯৯ শতাংশ মালিকানার ভিত্তিতে ইউপিজিডিসিএল ৭৪২ কোটি ৫০ লাখ টাকার অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ পাবে।
একইভাবে ইউপিজিডিসিএলের সাবসিডিয়ারি ইউনাইটেড জামালপুর পাওয়ার লিমিটেড এ বছরের ৩১ মার্চ সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ১৫০ কোটি টাকার অন্তর্বর্তীকালীন নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। সাবসিডিয়ারি কোম্পানির ৯৯ শতাংশ মালিকানার ভিত্তিতে ইউপিজিডিসিএল ১৪৮ কোটি ৫০ লাখ টাকার অন্তর্বর্তীকালীন নগদ লভ্যাংশ পাবে।
এর আগে গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্ধবার্ষিকের (জুলাই-ডিসেম্বর) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ইউনাইটেড এনার্জি লিমিটেড ৬০০ কোটি টাকা এবং ইউনাইটেড জামালপুর পাওয়ার লিমিটেড ১৫০ কোটি টাকার অন্তর্বর্তীকালীন নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। এর মধ্যে ইউনাইটেড এনার্জি লিমিটেড থেকে ৫৯৪ কোটি এবং ইউনাইটেড জামালপুর পাওয়ার লিমিটেড থেকে ১৪৮ কোটি ৫০ লাখ টাকার অন্তর্বর্তীকালীন নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিল ইউপিজিডিসিএল। সব মিলিয়ে সে সময় মোট ৭৪২ কোটি ৫০ লাখ টাকার নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিল কোম্পানিটি।
চলতি হিসাব বছরের অর্ধবার্ষিক সময়ে ইউপিজিডিসিএলের আয় দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬১৭ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। যেখানে এর আগের বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির আয় ছিল ৫৪৩ কোটি টাকা। এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির আয় বেড়েছে ১ হাজার ৭৪ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৫৬১ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। যেখানে এর আগের বছরের একই সময়ে নিট মুনাফা ছিল ৩২৪ কোটি টাকা। এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির নিট মুনাফা বেড়েছে ২৩৭ কোটি ২০ লাখ টাকা। আলোচ্য সময়ে ইউপিজিডিসিএলের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ৫০ পয়সা, যা এর আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৫ টাকা ৪৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪৭ টাকা ৮৮ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০১৯-২০ হিসাব বছরে ইউপিজিডিসিএলের আয় হয়েছে ১ হাজার ৯ কোটি টাকা। যেখানে এর আগের হিসাব বছরে আয় হয়েছিল ১ হাজার ১২৫ কোটি টাকা। আর আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৬০৮ কোটি টাকায়। যেখানে এর আগের হিসাব বছরে মুনাফা হয়েছিল ৭৮৬ কোটি টাকা। ২০১৯-২০ হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে (ইপিএস) ১১ টাকা ২৬ পয়সা। যা এর আগের হিসাব বছরে ছিল ১৪ টাকা ৬২ পয়সা। সর্বশেষ সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের ১৪৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই