মুনাফা তোলার ঝোঁকে বিনিয়োগকারীরা
টানা উত্থানের পর আজ সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনে কারেকশনের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ করেছে পুঁজিবাজার। এদিন মুনাফা তোলার ঝোঁকে ছিলেন বেশিরভাগ বিনিয়োগকারী। যে কারণে অতিরিক্ত সেল প্রেসার হয়ে সূচকের পতন হয়েছে। সূচক কমার পাশাপাশি দৈনিক লেনদেনেও রয়েছে বিরুপ প্রভাব।
জানা যায়, আজ ৩১ মে ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ০.২৯ শতাংশ বা ১৭.৭১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৯৯০.৯৯ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ০.৩২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ২৮৬.২০ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ২.৪৭ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ২ হাজার ২০৫.৮২ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ৩৫৯টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১০২টির, কমেছে ২০৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৪টির। সারাদিনে ডিএসইতে ৫৫ কোটি ১৪ লাখ ৩৮ হাজার ৭০১টি শেয়ার ২ লাখ ৬৭ হাজার ৪৩৯ বার হাতবদল হয়। আর দিন শেষে লেনদেন হয় ১ হাজার ৭৩৬ কোটি ৩৩ লাখ ৮১ হাজার টাকা।
গতকাল ৩০ মে ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ০.৩৮ শতাংশ বা ২২.৮৮ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করেছে ৬ হাজার ৮.৬৯ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ০.৮৭ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করেছে ১ হাজার ২৮৫.৮৮ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১৮.৫৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করেছে ২ হাজার ২০৮.২৮ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ৩৬৪টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বৃদ্ধি পায় ১৪৪টির, কমে ১৭৪টির এবং অপরিবর্তিত রয় ৪৬টির। সারাদিনে ডিএসইতে ৭৯ কোটি ৮৬ লাখ ৫৭ হাজার ৮৭৮টি শেয়ার ২ লাখ ৯৭ হাজার ৯৮৩ বার হাতবদল হয়। আর দিন শেষে লেনদেন হয় ২ হাজার ১৪৯ কোটি ২১ লাখ ৪৮ হাজার টাকা।
সে হিসেবে আজ লেনদেন কমেছে ২১৯ কোটি ৬৭ লাখ ৫ হাজার টাকা।
এদিকে আজ দিন শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সাধারণ মূল্য সূচক সিএএসপিআই ০.১১ শতাংশ বা ১৯.৭৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৭ হাজার ৩৫৯.৫৭ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ২৯৭টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বৃদ্ধি পায় ৮৯টির, কমেছে ১৬৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৯টির। আর দিন শেষে লেনদেন হয়েছে ৫৮ কোটি ৯৩ লাখ ২৭ হাজার ৫২ টাকা। গতকাল লেনদেন হয়েছিল ১০৯ কোটি ২ লাখ ১৫ হাজার ৭১১ টাকা। অর্থাৎ সিএসইতে লেনদেন কমেছে ৫০ কোটি ৮ লাখ ৮৮ হাজার ৬৫৯ টাকা।

কোন মন্তব্য নেই