সরকারি কোম্পানির শেয়ারদরে উত্থান
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গতকাল লেনদেনের শুরুতে সূচক ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পয়েন্ট হারাতে শুরু করে। বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে সূচকে ঊর্ধ্বমুখিতা ফিরে আসে, যা লেনদেন শেষ হওয়া পর্যন্ত বজায় ছিল। গতকাল দিনশেষে ৬১ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ৯৯৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে ডিএসইএক্স, যা এর আগের কার্যদিবসে ছিল ৬ হাজার ৯৩৩ পয়েন্টে। গতকাল সূচকের উত্থানে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে বেক্সিমকো লিমিটেড, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, পাওয়ার গ্রিড, তিতাস গ্যাস, বিএসসিসিএলের শেয়ার।
ডিএসইর শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস গতকাল দিনশেষে ১২ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৪৮১ পয়েন্টে অবস্থান করছে, যা আগের দিন ছিল ১ হাজার ৪৬৮ পয়েন্টে। ব্লু-চিপ সূচক ডিএস-৩০ দিনের ব্যবধানে ২৭ পয়েন্ট বেড়ে গতকাল ২ হাজার ৬০৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের দিন শেষে যা ছিল ২ হাজার ৫৭৯ পয়েন্টে।
গতকাল ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা। এর আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৪৬১ কোটি টাকা। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৭৭টি কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের মধ্যে দিনশেষে দর বেড়েছে ১৭৮টির, কমেছে ১৫৮টির আর অপরিবর্তিত ছিল ৪১টি সিকিউরিটিজের বাজারদর।
খাতভিত্তিক লেনদেনচিত্রে দেখা যায়, গতকাল ডিএসইর মোট লেনদেনের ১৫ দশমিক ১ শতাংশ দখলে নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১২ দশমিক ১ শতাংশ দখলে নিয়েছে বিবিধ খাত। ১১ দশমিক ৭ শতাংশ লেনদেনের ভিত্তিতে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে প্রকৌশল খাত।
কোন মন্তব্য নেই