এক শেয়ারেই ক্রেতা-বিক্রেতার পোয়াবারো! - TIMES EXPRESS | টাইমস এক্সপ্রেস is an interactive news portal

নিউজ ফাস্ট

এক শেয়ারেই ক্রেতা-বিক্রেতার পোয়াবারো!


আগেরদিনের মতো সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস আজ বুধবারও লেনদেনের শুরুতেই ডজন ডজন কোম্পানি ক্রেতা সংকটের কবলে পড়ে। এদিন লেনদেনের সময় গড়াচ্ছিল, ক্রেতা সংকটে কোম্পানির মিছিলও ততো বাড়ছিল।


অস্থিরতার এই সময়ে দর বাড়ার শীর্ষ তালিকায় বড় ব্যবধানে দুটি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হতে দেখা যায়। একটি হল সদ্য লেনদেনে আসা জেএমআইস হসপিটাল এবং অন্যটি হল রাষ্ট্রায়াত্ব স্বল্পমূলধনী কোম্পানি রেনউইক যজনেশ্বর।


কোম্পানি দুটির মধ্যে জেএমআই হসপিটাল আগের চেয়ে কিছু বেশি পরিমাণ লেনদেন নিয়ে আজও বিক্রেতা সংকটের ধারা অব্যাহত রাখে। আর রেনউইক যজনেশ্বর মাত্র ১টি শেয়ার লেনদেন দিয়ে ৩ শতাংশের বেশি দর হাঁকিয়ে শিরোপা নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকে।


এরপর দিনভর রেনউইক যজেনশ্বরের আর কোন শেয়ার লেনদেন হয়নি। আজ কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৯৯০ টাকায়। আগেরদিন ক্লোজিং প্রাইস ছিল ৯৬০ টাকা। আজ দর বেড়েছে ৩০ টাকা বা ৩.০৯ শতাংশ।




যদিও আজ কোম্পানিটির শেয়ার ৯৯০ টাকা লেনদেন হয়েছে, দিনভর তারও অনেক কম দরে হাজার হাজার বিক্রেতা তাদের শেয়ার বিক্রি করার অপেক্ষায় ছিল। কিন্তু কেউই আর শেয়ারটি কিনতে আগ্রহী হয়নি। এক শেয়ারেই তাক লাগিয়ে দিনভর ঝিমিয়ে থাকল শেয়ারটি। ডিএসইতে আজ লেনদেন হওয়া ৩৮০টি কোম্পানির মধ্যে ‘একটি’ শেয়ার লেনদেনের শিরোপা দখল করেছে একমাত্র রেনউইক যজেনশ্বর। এক শেয়ারেই যেন কোম্পানিটির ক্রেতা-বিক্রেতার পোয়াবারো।


আজ ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে কম সংখ্যার দ্বিতীয় কোম্পানি ছিল আইসিবি ইসলামী ব্যাংক। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৩৫৭৫টি।


রেনউইক যজেনশ্বরের মোট শেয়ার সংখ্যা ২০ লাখ। অনুমোদিত মূলধণের পরিমাণ ২০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ২০ কোটি টাকা। বিপরীতে পুঞ্জীভূত লোকসান রয়েছে ৬৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা।




১৯৮৯ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটি ২১৫ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বিনিয়োগকারীদের টানা ১২ শতাংশ করে ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে। কিন্তু ২০১৯ সাল থেকে লোকসানের কবলে পড়ায় কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের আর ডিভিডেন্ডের মুখ দেখাতে পারেনি। প্রতিবছরই ‘নো ডিভিডেন্ড’দিয়ে অর্থবছর পার করছে।


সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে সরকারের কাছে রয়েছে ৫১ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২১.২৮ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রযেছে ২৭.৭২ শতাংশ শেয়ার।


চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে (জুলাই-ডিসেম্বর’২১) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ৯ টাকা ৭৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি লোকসান ছিল ৮ টাকা ৭০ পয়সা।


৩১ ডিসেম্বর, ২০২১ তারিখে কোম্পানিটির সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে মাইনাস ৩৩ টাকা ০২ পয়সায়। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ২৩ টাকা ২৫ পয়সা।

কোন মন্তব্য নেই