দুই ব্যাংকের পর্ষদ সভা আজ
সভায় ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন ও প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি সভা থেকে সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য লভ্যাংশের ঘোষণা আসতে পারে। পূবালী ব্যাংক: সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরের প্রথম নয় মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) পূবালী ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ৫২ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ৯৪ পয়সা। তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৭২ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৫০ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪০ টাকা ৭২ পয়সা।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরের জন্য ১২ দশমিক ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। সমাপ্ত হিসাব বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৬০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংকটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৭ টাকা ৬৩ পয়সা।
এর আগে ২০১৯ হিসাব বছরে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল ব্যাংকটি। ২০১৮ হিসাব বছরে ১০ শতাংশ নগদ ও ৩ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন ব্যাংকটির শেয়ারহোল্ডাররা।
সিটি ব্যাংক: সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরের নয় মাসে সিটি ব্যাংকের সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৯৭ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ৮৯ পয়সা। তৃতীয় প্রান্তিকে সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৯০ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৮৯ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১ শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩০ টাকা ১১ পয়সা।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২২ দশমিক ৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে সিটি ব্যাংক। এর মধ্যে ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। সমাপ্ত হিসাব বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ২৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৫৯ পয়সা। ২০২০ হিসাব বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে সমন্বিত এনএভিপিএস হয়েছে ২৯ টাকা ৩ পয়সা। আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৪ টাকা ১৪ পয়সা।

কোন মন্তব্য নেই