আইডি হ্যাক হওয়ায় ২৬ লাখ টাকা লোপাট হওয়ার শঙ্কা
পাংশা উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মো. রাশেদুল ইসলাম চৌধুরী ২০২১ সালের ১১ অক্টোবর পাংশা উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। এ কার্যালয় থেকে পাংশা উপজেলার যাবতীয় সরকারি বেতন-ভাতা ও পাওনাদি পরিশোধ করা হয়। প্রতি মাসে ১ হাজার ২০০ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন দেয়া হয়। এছাড়া রয়েছে উপজেলার সব স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন, বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজের বিল, সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের বিল।
পাংশা উপজেলার অভিযুক্ত হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলাম চৌধুরী জাানন, আমাকে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। সোমবার সকালে বদলির আদেশের পত্র পেয়েছি। গত ২০ মার্চ থেকে কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছি না। ফলে ১ হাজার ২০০ সেবাগ্রহিতা রয়েছেন চরম ভোগান্তিতে। তারা প্রতিনিয়তই অফিসে এসে ফিরে যাচ্ছেন। তবে হ্যাক ও অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে তিনি জড়িত নন বলেও দাবি করেন। তার দপ্তরে ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ হয় না এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, এ কথা সঠিক নয়।
পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী রাজবাড়ী জেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ২৬ লাখ টাকা খোয়া গেছে। ১৫ মার্চ থেকে বিষয়টি জানার পর প্রধান কার্যালয় থেকে হিসাব ক্লোজ করে রাখা হয়েছে। কে বা কারা আইডি হ্যাক করেছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আমাকে আজ থেকে পাংশার অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এখন আমার আইডি-পাসওয়ার্ড দিয়ে বেতন ভাতা প্রদান করা হবে। বিষয়টি অল্প সময়ের মধ্যে সমাধান হয়ে যাবে।

কোন মন্তব্য নেই