নিউজ ফাস্ট

টানা পতনেও উজ্জ্বল ওষুধ ও রসায়ন খাত


ফের মৌলভিত্তির কোম্পানিগুলোর দর পতনের সূচকে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। চলতি সপ্তাহের প্রথম দুই কার্যদিবসে সূচক বেড়েছিল প্রায় ৫৫ পয়েন্ট। বিপরীতে পরের তিন কার্যদিবসে সূচক কমেছে ১৩২ পয়েন্ট। ফলে সপ্তাহের ব্যবধানে সূচক হারিয়েছে ৭৭ পয়েন্টের বেশি। লেনদেনও নেমে গেল হাজার কোটির নিচে। আর শেয়ারদর কমে যায় ৭৭ শতাংশের বেশি কোম্পানির।


সপ্তাহের শুরুতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশার আলো দেখা গেলেও সপ্তাহের শেষে ফের হতাশার মধ্যে শেষ হলো পুঁজিবাজারের লেনদেন। প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস গতকাল সূচক কমেছে সাড়ে ২৬ পয়েন্ট। বাজারের এমন পতনেও সূচক টেনে তোলার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে ওষুধ ও রসায়ন খাত। লেনদেনের মোট ১৫ দশমিক ৬৭ শতাংশ দখলে ছিল এই খাতটির। এদিন পতন ঠেকাতে দুই কোম্পানি যোগ করেছে ৩ পয়েন্ট। সূচক উত্থানের চেষ্টায় এমন অবদান রাখা এই দুই কোম্পানির মধ্যে রয়েছে বিকন ফার্মা ও স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড।


দুই কোম্পানির মধ্যে গতকাল সূচক বৃদ্ধিতে বেশি অবদান রাখে বিকন ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ২ দশমিক ২৯ শতাংশ। এতে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বাড়ে ১ দশমিক ৫৮ পয়েন্ট। সর্বশেষ কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২৫৯ টাকা ৪০ পয়সায়।


সূচক বৃদ্ধিতে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে স্কয়ার ফার্মাক্যালস লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ। এতে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বাড়ে ১ দশমিক ১৫ পয়েন্ট। সর্বশেষ কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২২৩ টাকা ২০ পয়সায়। ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২৬ দশমিক ৫২ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ৪০ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ছয় হাজার ৫৬৫ দশমিক ৪৭ পয়েন্টে।


ডিএসইর অন্য সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ্ সূচক ১ দশমিক ২৪ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ০৮ শতাংশ ও ডিএসই-৩০ সূচক ১৩ দশমিক ৭২ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ৫৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে এক হাজার ৪৩২ দশমিক ১৭ পয়েন্টে এবং দুই হাজার ৪০৬ দশমিক ৯১ পয়েন্টে।


ডিএসইতে টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ৮২৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকার, যা আগের কার্যদিবস থেকে ৩১২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা কম। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল এক হাজার ১৩৫ কোটি ৭০ লাখ টাকার। ডিএসইতে ৩৮১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯১টির বা ২৩ দশমিক ৮৮ শতাংশের শেয়ার ও ইউনিট দর বেড়েছে। দর কমেছে ২৪২টির বা ৬৩ দশমিক ৫২ শতাংশের এবং ৪৮টির বা ১২ দশমিক ৬০ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর অপরিবর্তিত রয়েছে।


এদিন চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৯০ দশমিক ১১ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ৪৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ২৩৯ দশমিক ৫৩ পয়েন্টে। সিএসইতে হাত বদল হওয়া ২৯২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ারদর বেড়েছে ৬৮টির, কমেছে ১৯৫টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ২৯টির দর। সিএসইতে ২৯ কোটি ৯৪ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।


কোন মন্তব্য নেই