রুয়েটে রোবোট্রনিক্স প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত - TIMES EXPRESS | টাইমস এক্সপ্রেস is an interactive news portal

নিউজ ফাস্ট

রুয়েটে রোবোট্রনিক্স প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত



রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) রোবোট্রনিক্স প্রতিযোগিতা-২০১৯ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় প্রতিযোগিতাটির উদ্বোধন করেন রুয়েটের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শামসুল আলম। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেকাট্রোনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।
উদ্বোধনী পর্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সেলিম হোসেন, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন মোশাররফ হোসেন, পরিচালক ছাত্র কল্যাণ রবিউল আওয়াল, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড.ওসমান গনি তালুকদার, সিনক্স’র এর পরিচালক নাসিক মো. আক্কাস। প্রতিযোগিতাটির আহ্বায়ক কমিটির প্রধান ও কারিগরি অংশীদার রোবটিক সোসাইটি অব রুয়েটের সভাপতি ড. সজল কুমার দাস অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন।
প্রতিযোগিতাটি ৫টি ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধনের পর অনুষ্ঠিত হয় পোস্টার প্রেজেন্টেশন। সেখানে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীরা বিজ্ঞান সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় প্রদর্শন করবেন। এরপর প্রোজেক্ট শোকেজ, রোবো রেসলিং, মাড রোভার ও স্পিড ব্যাটেল অনুষ্ঠিত হয়। দেশের ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীরা এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছে। দুই থেকে তিনজন করে শিক্ষার্থী নিয়ে একটি করে টিম হয়। প্রতিযোগিতায় প্রোজেক্ট শোকেজে বিজয়ী হয়েছেন ব্রাক ইউনিভার্সিটি, রোবো রেসলিংয়ে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, মাড রোভারে ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজ ও স্পিড ব্যাটেল ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পোস্টার প্রেজেন্টেশনের রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
এদিন বিকেল সাড়ে ৫টায় প্রতিযোগিতার সমাপনী পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন ইভেন্টে মোট দশজন বিজয়ীকে পুরস্কৃত করা হবে। এ ছাড়াও প্রতিটি ইভেন্টের বিজয়ী টিমদের সর্বমোট ২ লাখ ১৮ হাজার টাকার প্রাইজমানি প্রদান করা হবে। প্রতিযোগিতাটিতে মিডিয়া পার্টনার হিসেবে থাকছে জাতীয় দৈনিক ‘দেশ রূপান্তর’। এ ছাড়া টাইটেল স্পন্সর হিসেবে রয়েছে মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড।
মেকাট্রোনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সভাপতি সজল কুমার দাস বলেন, ‘এ ধরনের প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত শিক্ষার প্রতি আগ্রহী করে তুলবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে, যা পরবর্তীতে শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মক্ষেত্রে কাজে লাগাতে পারবে।’ এসব ক্ষেত্রে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত সমর্থন পাওয়া গেলে দেশের প্রযুক্তি খাত অনেক দুর এগিয়ে যাবেন বলে মনে করেন তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সেখ বলেন, ‘বর্তমান সময়ে যেসব প্রযুক্তি আসছে তা সর্ম্পণ নতুন। এসব প্রযুক্তি মানুষের কাজকে আরো সহজ করবে। এ ধরনের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের দক্ষতা সম্পর্কে জানতে পারবে। পাশাপাশি আগামী দিনের তরুণ প্রজন্ম তাদের বিজ্ঞান শেখার প্রতি আগ্রহী করে তুলবে বলে আমি আশা করি।

কোন মন্তব্য নেই