চাল বাণিজ্যে সম্ভাবনা দেখছে থাইল্যান্ড
থাইল্যান্ডের চাল রফতানিকারকরা জানান, চলতি বছর ৬০ লাখ টন চাল রফতানির লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে থাইল্যান্ডের। এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আশাবাদী তারা। মূলত ভোক্তা দেশগুলোতে আমদানি চাহিদা ঊর্ধ্বমুখী থাকায় রফতানি বৃদ্ধির এমন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
থাই রাইস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন জানায়, বর্তমানে থাইল্যান্ডের মুদ্রার বিনিময়মূল্য নিম্নমুখী রয়েছে। চলতি বছরের এখন পর্যন্ত ডলারের বিপরীতে মুদ্রাটির মূল্য কমেছে ১৩ শতাংশ। এ কারণে থাই চালের রফতানি মূল্য কমে গেছে। এমন দরপতনে প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় থাইল্যান্ড ক্রেতা আকৃষ্ট করতে সক্ষম হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ডের প্রতি টন ৫ শতাংশ ভাঙা চালের দাম কমে ৩৮৫-৩৮৬ ডলারে নেমে আসে। এটি প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ভিয়েতনামের এক জাতের চালের তুলনায় অনেক বেশি সাশ্রয়ী। ভিয়েতনামে একই চালের টনপ্রতি রফতানি মূল্য ৪২৫-৪৩০ ডলার।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন ও চীনসহ যেসব দেশ চাল ক্রয়ের ক্ষেত্রে ভিয়েতনামকে পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রাখত তারা থাইল্যান্ডের দিকে ঝুঁকছে। সাশ্রয়ী দামের কারণে দেশগুলো এরই মধ্যে থাইল্যান্ড থেকে চাল ক্রয় শুরু করেছে। বিষয়টি রফতানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে থাইল্যান্ডকে বড় ধরনের সুবিধা দেবে।
থাই রাইস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর পর্যন্ত থাইল্যান্ড ৩৭ লাখ টন চাল রফতানি করেছে। বছরের বাকি সময় প্রতি মাসে সাত লাখ টনেরও বেশি রফতানি করতে সক্ষম হবে দেশটি।

কোন মন্তব্য নেই