রাজশাহীর ছয়টিতে বিএনপির প্রার্থী ১২ - TIMES EXPRESS | টাইমস এক্সপ্রেস is an interactive news portal

নিউজ ফাস্ট

রাজশাহীর ছয়টিতে বিএনপির প্রার্থী ১২


একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনের রেখে বিএনপি তাদের প্রার্থী তালিকা চুড়ান্ত করেছে। বিএনপি’র গুলশানের কার্যালয়ে সোমবার দুপুর থেকে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত দলটির প্যাডে রাজশাহীর ছয়টিসহ মোট ৩০০টি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের হাতে তাদের মনোনয়ন পত্রটি তুলে দেয়া হয়। তবে কৌশলগত কারণে দলটি প্রতিটি আসনে একাধিক প্রার্থী রেখেছে। এবার রাজশাহীর ৬টি আসনে এক ডজন প্রর্থীকে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছে দলটি।
রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হক ও আভা হক। আর রাজশাহী-২ (সদর) আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু ও সাহিদ হাসান। রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হক মিলন ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মন্টু। রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে সাবেক এমপি আবু হেনা ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল গফুর। রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে সাবেক এমপি নাদিম মোস্তফা ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম এবং রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন চারঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান আবু সাঈদ চাঁদ ও জেরা বিএনপির সহ-সভাপতি নুরুজ্জামান খান মানিক। এদের সবাই মনোনয়ন পত্রের চিঠি সংগ্রহ করেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন দলটির একাধিক নেতৃবৃন্দ।
দলটির নেতারা জানান, বিএনপি প্রার্থী তালিকা আরও একদিন আগেই চূড়ান্ত হয়ে আছে। কিন্তু জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলের সঙ্গে আসন বণ্টন নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হওয়ায় প্রার্থী তালিকা দিতে দেরি হয়। মাঠ জরিপ ও প্রার্থীদের অতীত কর্মকাণ্ড এবং তৃণমূল নেতাদের মত নিয়ে দলের স্থায়ী কমিটি প্রার্থীদের খসড়া তৈরি করে রাখে। ওই খসড়া থেকে প্রার্থী চূড়ান্ত করেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
এদিকে আসন প্রতি একাধিক প্রার্থী দেয়ার বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপি’র একাধিক নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, বিগত ১০বছরে দলটি নেতা-কর্মীরা নানা মামলায় জর্জরিত। অনেকেই নিজ এলাকা থেকে পালিয়ে রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে মনোনয়ন নিশ্চিত জেনে সেই প্রার্থীর নামে যাতে নতুন কোন মামলা দিয়ে বা পুরনো মামলায় গ্রেপ্তার দেখাতে না পারে সেই লক্ষে এমন কৌশল অবলম্বর করা হয়েছে।
আবার অনেকে জানিয়েছেন, দলের মনোনয়ন প্রার্থীদের অনেক অনুসারী রয়েছে। একজনকে মনোনয়ন দেয়া হলে অন্য নেতার অনুসারী যাতে এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সে কারণেও একাধিক প্রার্থী দেয়া হচ্ছে।
তবে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনই বোঝা যাবে, কারা হচ্ছেন দলটির চুড়ান্ত প্রার্থী। আগামী ২৮ নভেম্বর মনোনয়ন পত্র জমা দেয়ার শেষ দিন। আর ৯ডিসেম্বর মনোনয়ন পত্যাহারের শেষ দিন। সে হিসেবে দলটির প্রকৃত প্রার্থীদের নাম জানতে অপেক্ষা করতে হবে আগামী ৯ডিসেম্বর পর্যন্ত।

কোন মন্তব্য নেই