রাজশাহীর কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোট উৎসব
সারাদেশের মত রাজশাহীতেও উৎসবমূখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সকাল ৮টা থেকেই রাজশাহীর বিভিন্ন কেন্দ্রে আসতে থাকেন ভোটাররা। বেলা বাড়ার সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে বাড়তে শুরু করে ভোটারদের উপস্থিতি। উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন তারা।
পুরুষ ভোটারদের তুলনায় মেয়ে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল নজরকাড়ার মত। বেলা বাড়ার সঙ্গে উপচে পড়ে মেয়েদের ভিড়। গৃহস্থালীর কাজ সামলে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে ভোটকেন্দ্রে আসেন বিপুল সংখ্যক নারী ভোটার। রাজশাহীর সংসদীয় ছয়টি আসনেই নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। আনন্দঘন পরিবেশে ভোট দেন তারা।
অন্যদিকে পুরুষ ভোটারদের উপস্থিতিও ছিল যথেষ্ট। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তরুণ ভোটারদের অংশগ্রহণ ছিল ঈর্ষণীয়। রাষ্ট্রের একজন আদর্শ নাগরিক হিসেবে রাজনৈতিক অধিকারের পূর্ণবাস্তবায়নে এ ভোটপ্রদান বলে মন্তব্য করেন তরুণরা।
রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার ক্ষিদ্রখলসী গ্রামের নতুন ভোটার মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, একজন শিক্ষিত নাগরিক হিসেবে আমাদের সকলের দায়িত্ব ভোট দিয়ে দেশের উন্নয়নে সরকার নির্বাচন করা। আমাদের সুন্দর ভবিষ্যত ও দেশ-জাতির কল্যাণে আমরাই পারি একটি সুন্দর উন্নয়ণবান্ধব সরকার গঠন করতে। আমি আমার ভোট দিয়েছি। আমি একজন গর্বিত নাগরিক।
এছাড়াও ভোটকেন্দ্রের আশেপাশের ছিল উৎসবমূখর পরিবেশ। ছেলেবুড়ো সকলেই স্বতস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে এবারের নির্বাচনে। ভোটারদের পাশাপাশি ভোটের আনন্দে সামিল হন বাচ্চারাও। ভোটকেন্দ্রের আশেপাশের মিষ্ঠি, বাদাম, বিস্কুট, চকলেটের দোকাগুলো থেকে খাবার কিনে খেয়েই যেন তাদের তৃপ্তি।
রাজশাহীর পবা উপজেলার বায়া এলাকার চন্দ্রপুকুর প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র। গ্রামের অনেকটা ভেতরে মেঠো পথ পেরিয়ে যতই ভোটকেন্দ্রের দিকে এগিয়ে যাওয়া যায় ততই স্পষ্ট হতে থাকে ভিড়। কাছাকাছি পৌঁছাতেই মনে হয়েছে এ যেন মেলা!
ভোটকেন্দ্রের আশেপাশে ছিল অসংখ্য ছোট ছোট দোকান। রকমারী পন্যের পশরা সাজিয়ে বসে ছিলেন দোকানীরা। এসকল দোকানগুলোয় ভিড় করে ছোট, বড় ও যুবারা। ভোটকেন্দ্রে আশেপাশের দোকানগুলো ভোট উৎসবে যোগ করে ভিন্নমাত্রা।
শুধু চন্দ্রপুকুর নয়, রাজশাহীর গ্রামাঞ্চলের প্রায় প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের আশেপাশের এলাকা ছিল মেলাময়। উৎসবমূখর পরিবেশে ভোটপ্রদান করেন ভোটাররা। ভোটপ্রদান শেষে এসব দোকানে ঢুঁ মারতে বাদ যাননি ছেলে বুড়োর কেউই। ভিড় ছিল বিভিন্ন মিষ্টির দোকানেও।
বাচ্চাদের খেলনা ও মেয়েদের কসমেটিক্সের দোকানও পরিলক্ষিত হয়েছে কেন্দ্রগুলোর আশেপাশে। অভিভাবকদের সাথে ভোটকেন্দ্রে এসেছিলেন তাদের সন্তানরাও। মা-বাবারা ভোট দিলেও উৎসবটা ছিল তাদের। ছোট ছোট দোকানগুলো থেকে মিঠাই, বিস্কুট, বাদাম, চকলেট ইত্যাদি কিনে দেন অভিভাবকরা। আর তাতেই যেন ভোট উৎসবটা হয়ে ওঠে ছোটদের। এসকল দোকান ও কেন্দ্রগুলোতে ছেলে, বুড়ো, বাচ্চা, অভিভাবক, ভোটারদের উপস্থিতি ও হাসি ঠাট্টায় নির্বাচন যেন উৎসবে পরিণত হয়।
পুরুষ ভোটারদের তুলনায় মেয়ে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল নজরকাড়ার মত। বেলা বাড়ার সঙ্গে উপচে পড়ে মেয়েদের ভিড়। গৃহস্থালীর কাজ সামলে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে ভোটকেন্দ্রে আসেন বিপুল সংখ্যক নারী ভোটার। রাজশাহীর সংসদীয় ছয়টি আসনেই নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। আনন্দঘন পরিবেশে ভোট দেন তারা।
অন্যদিকে পুরুষ ভোটারদের উপস্থিতিও ছিল যথেষ্ট। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তরুণ ভোটারদের অংশগ্রহণ ছিল ঈর্ষণীয়। রাষ্ট্রের একজন আদর্শ নাগরিক হিসেবে রাজনৈতিক অধিকারের পূর্ণবাস্তবায়নে এ ভোটপ্রদান বলে মন্তব্য করেন তরুণরা।
রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার ক্ষিদ্রখলসী গ্রামের নতুন ভোটার মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, একজন শিক্ষিত নাগরিক হিসেবে আমাদের সকলের দায়িত্ব ভোট দিয়ে দেশের উন্নয়নে সরকার নির্বাচন করা। আমাদের সুন্দর ভবিষ্যত ও দেশ-জাতির কল্যাণে আমরাই পারি একটি সুন্দর উন্নয়ণবান্ধব সরকার গঠন করতে। আমি আমার ভোট দিয়েছি। আমি একজন গর্বিত নাগরিক।
এছাড়াও ভোটকেন্দ্রের আশেপাশের ছিল উৎসবমূখর পরিবেশ। ছেলেবুড়ো সকলেই স্বতস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে এবারের নির্বাচনে। ভোটারদের পাশাপাশি ভোটের আনন্দে সামিল হন বাচ্চারাও। ভোটকেন্দ্রের আশেপাশের মিষ্ঠি, বাদাম, বিস্কুট, চকলেটের দোকাগুলো থেকে খাবার কিনে খেয়েই যেন তাদের তৃপ্তি।
রাজশাহীর পবা উপজেলার বায়া এলাকার চন্দ্রপুকুর প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র। গ্রামের অনেকটা ভেতরে মেঠো পথ পেরিয়ে যতই ভোটকেন্দ্রের দিকে এগিয়ে যাওয়া যায় ততই স্পষ্ট হতে থাকে ভিড়। কাছাকাছি পৌঁছাতেই মনে হয়েছে এ যেন মেলা!
ভোটকেন্দ্রের আশেপাশে ছিল অসংখ্য ছোট ছোট দোকান। রকমারী পন্যের পশরা সাজিয়ে বসে ছিলেন দোকানীরা। এসকল দোকানগুলোয় ভিড় করে ছোট, বড় ও যুবারা। ভোটকেন্দ্রে আশেপাশের দোকানগুলো ভোট উৎসবে যোগ করে ভিন্নমাত্রা।
শুধু চন্দ্রপুকুর নয়, রাজশাহীর গ্রামাঞ্চলের প্রায় প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের আশেপাশের এলাকা ছিল মেলাময়। উৎসবমূখর পরিবেশে ভোটপ্রদান করেন ভোটাররা। ভোটপ্রদান শেষে এসব দোকানে ঢুঁ মারতে বাদ যাননি ছেলে বুড়োর কেউই। ভিড় ছিল বিভিন্ন মিষ্টির দোকানেও।
বাচ্চাদের খেলনা ও মেয়েদের কসমেটিক্সের দোকানও পরিলক্ষিত হয়েছে কেন্দ্রগুলোর আশেপাশে। অভিভাবকদের সাথে ভোটকেন্দ্রে এসেছিলেন তাদের সন্তানরাও। মা-বাবারা ভোট দিলেও উৎসবটা ছিল তাদের। ছোট ছোট দোকানগুলো থেকে মিঠাই, বিস্কুট, বাদাম, চকলেট ইত্যাদি কিনে দেন অভিভাবকরা। আর তাতেই যেন ভোট উৎসবটা হয়ে ওঠে ছোটদের। এসকল দোকান ও কেন্দ্রগুলোতে ছেলে, বুড়ো, বাচ্চা, অভিভাবক, ভোটারদের উপস্থিতি ও হাসি ঠাট্টায় নির্বাচন যেন উৎসবে পরিণত হয়।

কোন মন্তব্য নেই