উদ্বোধনের অভাবে প্রায় এক যুগ ধরে তালাবদ্ধ হাসপাতালটি - TIMES EXPRESS | টাইমস এক্সপ্রেস is an interactive news portal

নিউজ ফাস্ট

উদ্বোধনের অভাবে প্রায় এক যুগ ধরে তালাবদ্ধ হাসপাতালটি

হাসপাতালের অবকাঠামো আছে। রয়েছে বেশ কিছু সরঞ্জামাদিও। কিন্তু নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার প্রায় এক যুগ পার হয়ে গেলেও এখনো উদ্বোধন হয়নি হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কম্পেলেক্সের হাসপাতালটি।

এখনো পুরাতন ভবনের ৩০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালটিতেই চলছে স্থানীয়দের চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম। অন্যদিকে এখন পর্যন্ত চালু না হওয়ায় অবহেলায় অযত্নে নির্মিত ভবনের অবকাঠামোগত ক্ষতিও বাড়ছে। শুক্রবার ফেসবুক লাইভে গিয়ে ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়দুল হক সুমন এই হাসপাতালের তথ্য তুলে ধরেন জনসম্মুক্ষে।




হাসপালের দূর্দশার চিত্র তুলে ধরে সুমন বলেন, 'শুধুমাত্র উদ্বোধনের অভাবেই তালাবদ্ধ হয়ে পরে আছে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালটি!'


জানা যায়, ২০০৯ সালে শেষ হয় চুনারুঘাট উপজেলা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাজ। নির্মাণ কাজ শেষ হলেও চালু হয়নি হাসপাতালটি। সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যায়ে এই হাসপাতালটি নির্মাণ করা হয়েছিলো।


ব্যারিষ্টার সুমন তার ফেসবুক লাইভে এই হাসপাতালটির নানা সমস্যা তুলে ধরতে গিয়ে বলেন, ‘উদ্বোধনের অভাবেই ‘১৪ বছর’ ধরে পরে আছে হাসপাতালটি। কোন নেতার সময় হয়নি হাসপাতালটি উদ্বোধন করার।’


সুমন ওই ফেসবুক লাইভে পুরাতন ভবনে কর্মরত এক চিকিৎসকের সাথে কথা বলেন। ওই চিকিৎসক জানান, তিনি ওই হাসপাতালে (৩০ শয্যার পুরাতন ভবনে) ৫ বছর যাবত কর্মরত আছেন। কিন্তু ৫০ শয্যার হাসপাতালটিকে চালু হতে দেখেননি। হাসপাতালটি চালু না হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘স্যারদের সাথে আলাপ করে জেনেছি, ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে যে জনবল থাকার কথা, যে ইকুয়েপমেন্ট সার্পোট , যে লজিস্টিক সার্পোট বা জনবল থাকার কথা তা পাওয়া যায়নি। এটা একটা কারন হতে পারে’।

সুমনের এক প্রশ্নের জবাবে ওই চিকিৎসক বলেন, ‘ওই হাসপাতালে এক্সেরে মেশিন, ইসিজি মেশিন, আলট্রাসনোগ্রামের মেশিনসহ অনেক যন্ত্রপাতিই রয়েছে।’



এসবই অবহেলিত ভাবে পরে আছে। হাসপাতাল চত্বরেই অযত্ন আর অবহেলায় বিকল হয়ে পড়ে থাকতে দেখা দেখে এ্যাম্বুলেন্স। জানালার কাচও ভাঙ্গা। দেশের টাকা খরচ করে নির্মিত এই হাসপাতাল জনগণের কোন কাজেই আসছেনা। অপচয় হচ্ছে রাষ্ট্রীয় সম্পদ। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে চুনারুঘাটে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিলো।


মূল ভবন ছাড়াও সার্জন, ডাক্তার, নার্স ও কর্মচারীদের আবাসনের জন্য তৈরি করা হয় আরও তিনটি তিনতলা বিশিষ্ট ভবন। কিন্তু ভবন তৈরির পরও হাসপাতালে প্রয়োজনীয় সার্জন, ডাক্তার, নার্সসহ কর্মচারী নিয়োগ দেয়া হয়নি। তাই থেকেও নেই চুনারুঘােটর ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালটি।


কোন মন্তব্য নেই