সীতাকুণ্ডে ত্রাণের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ত্রাণের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মাদাম বিবিরহাটের সোনারগাঁ পেট্রোল পাম্প নামক স্থানে অবরোধ করেছেন শতাধিক পরিবারের সদস্যরা। শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে এ অবরোধ করা হয়। হাইওয়ে পুলিশ এসে তাদের বুঝিয়ে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দিলে আধা ঘণ্টা পর যান চলাচল ফের শুরু হয়।
অবরোধকারী উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের হাসনাবাদ গ্রামের স্থানীয় ও ভাড়াটিয়া শতাধিক পরিবারের অভিযোগ, তারা করোনা পরিস্থিতির কারণে কর্মহীন হয়ে পড়ায় তাদের পরিবার অনাহার-অর্ধাহারে দিনাতিপাত করছে। স্থানীয় চেয়ারম্যান-মেম্বার বা সামাজিক সংগঠনের কেউ তাদের ত্রাণসামগ্রী দেননি। তাই তারা ত্রাণের দাবিতে মহাসড়কে ব্যারিকেড দিতে বাধ্য হয়েছেন।
বিক্ষোভকারী মোহাম্মদ ফারুক ড্রাইভার বলেন, কয়েকদিন ধরে অনাহার-অর্ধাহারে থাকার পর বাধ্য হয়ে ত্রাণের দাবিতে ব্যারিকেড দিয়েছি। এ রকম শতাধিক পরিবার খুবই মানবেতর জীবনযাপন করছে।
স্থানীয় মেম্বার সাব্বির আহমেদ চৌধুরী বলেন, ফারুক ড্রাইভারের পরিবারসহ ওই ওয়ার্ডের এক হাজার ২৩৩ জনকে খাদ্যসামগ্রী দিয়েছি। অথচ সরকারিভাবে আমরা পেয়েছি ১৫৫ জনের জন্য ১০ কেজি করে চাল। যারা পাননি তাদের পর্যায়ক্রমে দেওয়া হবে। কিন্তু হঠাৎ তারা কাদের ইন্ধনে মহাসড়কে উঠেছে তারা, বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। ব্যারিকেডকারীদের মধ্যে কয়েকজন চিহ্নিত নাশকতা সৃষ্টিকারী রয়েছে।
ভাটিয়ারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিন বলেন, যারা মহাসড়কে উঠেছে, তারা কখনও আমার কাছে ত্রাণের জন্য আসেনি। ফোনও করেনি। স্থানীয় মেম্বাররা ছাড়াও আমাকে যারা ফোন করছে, আমি তাদের বাড়িতে গিয়ে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছি। তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখতে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানান।
বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার ওসি মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল বলেন, ত্রাণের দাবিতে স্থানীয় কিছু লোক ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ব্যারিকেড দিয়েছে। আমরা তৎক্ষনাৎ গিয়ে তাদের বুঝিয়ে রাস্তা থেকে সরিয়ে দিয়েছি।

কোন মন্তব্য নেই