কাজাখস্তানে রুশ সেনাদের উপস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশ্ন
কেন সেখানে রাশিয়ার সেনা মোতায়েন করা হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। কাজাখস্তানে ইতিমধ্যে আড়াই হাজার রুশ নেতৃত্বাধীন সেনা পা রেখেছেন।
মস্কোর কর্মকর্তারা বলেন, সমন্বিত নিরাপত্তা চুক্তি সংস্থার (সিএসটিও) অধীন তারা সেখানে সেনা মোতায়েন করেছে। এই জোটে রয়েছে রাশিয়া, কাজাখস্তান, বেলারুশ, তাজিকিস্তান এবং আর্মেনিয়াও রয়েছে।
কাজাখস্তানের সবচেয়ে বড় শহর আলমাতিতে মেয়রের কার্যালয়ে বিক্ষোভেকারীরা প্রবেশ করলে রুশ সহায়তা চেয়ে আবেদন করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ট তোকাইয়াভ।
ব্লিংকিন বলেন, মনে হচ্ছে, নিশ্চিতভাবেই কাজাখ কর্তৃপক্ষ ও সরকারের বিক্ষোভ মোকাবিলার সক্ষমতা আছে। আইনশৃঙ্খলা মেনে বিক্ষোভকারীদের অধিকার রক্ষা করেই এই বিক্ষোভ সামাল দেওয়া সম্ভব। কাজেই সেখানে কেন বাইরের সহায়তা দরকার, তা আমার বোধগম্য না।
কাজাখস্তানে কয়েকদিন ধরে চলা রক্তক্ষয়ী সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে আনতে একটি আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষী বাহিনীর অংশ হিসেবে দেশটিতে পৌঁছেছে রাশিয়ার নেতৃত্বাধীন আধা-সামরিক বাহিনী। এদিকে চলমান অস্থিরতায় মানবাধিকার পরিস্থিতি বিবেচনায় রাখতে আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।
কয়েকদিন ধরেই জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির জেরে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল কাজাখস্তান। সহিংসতা দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করে কর্তৃপক্ষ। আটক করা হয় কয়েকশো বিক্ষোভকারীকে।
দেশটিতে চলমান রক্তক্ষয়ী সহিংস পরিস্থিতিকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। এছাড়া যে কোন পরিস্থিতিতে মানবাধিকারের প্রতি সম্মান দেখাতে উভয় পক্ষের প্রতি আহ্বান জানায় সংস্থাটি। স্থানীয় সময় শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘের এক মুখপাত্র বলেন, সহিংসতায় সাধারণ মানুষ ও নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যদের নিহত হওয়ার বিষয়টি অগ্রহণযোগ্য।
এদিকে কাজাখস্তানের প্রেসিডেন্টের প্রতি এক মৌখিক বার্তা পাঠিয়েছেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং। স্থানীয় সময় শুক্রবার পাঠানো বার্তায় তোকাইয়াভের প্রতি সমবেদনা জানান শি। এসময় কাজাখস্তানের বর্তমান পরিস্থিতির উন্নতি ও অভ্যন্তরীণ শান্তি প্রতিষ্ঠা হবার আশাবাদ ব্যক্ত করেন চীনা প্রেসিডেন্ট।
কোন মন্তব্য নেই