মুনাফা ২৪৫ কোটি টাকা হলেও শেয়ারহোল্ডাররা পাবে না ১ টাকা
২০১৮-১৯ অর্থবছরের অনুমোদিত বাজেট অনুযায়ি, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানি কোনো অর্থবছরে নগদ লভ্যাংশের বেশি বোনাস শেয়ার দিতে পারবে না। অর্থাৎ বোনাস লভ্যাংশ সর্বোচ্চ নগদ লভ্যাংশের সমান হতে পারবে। যদি কোনো কোম্পানি বোনাস শেয়ার বেশি দেয়, তাহলে ওই বোনাস শেয়ারের উপর ১০ শতাংশ হারে কর দিতে হবে।
তারপরেও তালিকাভুক্ত ইউসিবি ব্যাংকের পর্ষদ ২০২১ সালের ব্যবসায় শুধুমাত্র ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ইউসিবির ২০২১ সালের ব্যবসায় সমন্বিতভাবে শেয়ারপ্রতি ১.৯২ টাকা হিসেবে ২৪৫ কোটি ৪৫ লাখ টাকার নিট মুনাফা হয়েছে। এরমধ্যে থেকে ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ারবাবদ শেয়ারপ্রতি ১ টাকা করে মোট ১২৭ কোটি ৮৪ লাখ টাকা দিয়ে পরিশোধিত মূলধন বাড়ানো হবে। বাকি ১১৭ কোটি ৬১ লাখ টাকা রিজার্ভে যোগ হবে। এর মাধ্যমে কোম্পানির মুনাফার ১ টাকাও শেয়ারহোল্ডারদের মাঝে বিতরন করা হবে না।
এরফলে কোম্পানিটিকে ১২৭ কোটি ৮৪ লাখ টাকার বোনাস শেয়ারের উপর ১০ শতাংশ হারে ১২ কোটি ৭৮ লাখ টাকার অতিরিক্ত কর দিতে হবে।
এর আগে ব্যাংকটির ২০২০ সালে শেয়ারপ্রতি ২.৪২ টাকা হিসেবে মোট ২৯৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকার নিট মুনাফা হয়েছিল। এরমধ্যে থেকে ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ হিসেবে শেয়ারপ্রতি ০.৫০ টাকা করে মোট ৬০ কোটি ৮৮ লাখ টাকা শেয়ারহোল্ডারদের মাঝে বিতরন করা হয়। আর বোনাস লভ্যাংশ ৫ শতাংশ বা শেয়ারপ্রতি ০.৫০ টাকা হিসাবে মোট ৬০ কোটি ৮৮ লাখ টাকার শেয়ার বিতরন করা হয়। যাতে ব্যাংকটির একই পরিমাণ পরিশোধিত মূলধন বাড়ে। বাকি ১৭৩ কোটি ১৩ লাখ টাকা রিজার্ভে যোগ হয়।
উল্লেখ্য, ১৯৮৬ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ১ হাজার ২৭৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা। বুধবার (৩০ মার্চ) লেনদেন শেষে ব্যাংকটির শেয়ার দর দাঁড়িয়েছে ১৫.৭০ টাকায়

কোন মন্তব্য নেই