ইউরো অঞ্চলে মূল্যস্ফীতির নতুন রেকর্ড
গত ফেব্রুয়ারিতে ইউরো অঞ্চলে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৫ দশমিক ৯ শতাংশে। রাশিয়া তার পশ্চিমাপন্থী প্রতিবেশির ওপর হামলা চালালে ইউরোপে তেল ও গ্যাস সংকট দেখা দেয়। ফলে আগের বছরের তুলনায় এ বছর জ্বালানির দাম ৪৪ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে যায়। জ্বালানির এই অতিরিক্ত দাম ইউরোপের মূল্যস্ফীতির পালে নতুন করে হাওয়া লাগায়।
ইউরো মুদ্রা ব্যবহারকারী ১৯ টি দেশকে আলাদাভাবে ইউরো অঞ্চল বলা হয়ে থাকা।
ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবি) প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্দে গত বুধবার সতর্ক করে জানিয়েছিলেন, ইউক্রেনে সংকট অব্যাহত থাকলে জ্বালানির দাম এবং জীবনযাত্রার ব্যয় ক্রমাগত বাড়তে থাকবে। ফলে কভিড পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ব্যাহত হবে।
সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও এই রকম মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। তবে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কয়েক ধাপে সুদের হার বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এদিকে এই ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণে দ্বিধান্বিত ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ইসিবি)। যুদ্ধের কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে এবং করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে বৈশ্বিক সরবরাহ চেইনে ব্যাঘাত ঘটায় এ ব্যয় আরো ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে বলে মনে করে ব্যাংকটি।
ইউরোজোনের মূল্যস্ফীতিকে ২ শতাংশের মধ্যে রাখার লক্ষ্য ছিল ইসিবির। তবে গত মার্চেই লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এক শতাংশ বেড়ে ৩ শতাংশে উন্নীত হয় মূল্যস্ফীতি। এতে করে জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে সুদের হার বাড়ানোর দাবি আরো জোরদার হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

কোন মন্তব্য নেই