“আপনারা গ্যাস নিচ্ছেন আমরা তেল নিলেই মহাভারত অশুদ্ধ?”
তিনি বৃহস্পতিবার রাতে নয়াদিল্লি সফররত ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ট্রাসের সঙ্গে টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারিত এক ফোরামে অংশ নিয়ে এ সমালোচনা করেন।
ইউক্রেনে রাশিয়ার চলমান সামরিক অভিযানকে কেন্দ্র করে আমেরিকাকে সঙ্গ দিয়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ। কিন্তু রাশিয়ার কাছ থেকে জ্বালানী আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ থেকে ইইউ বিরত রয়েছে। কারণ, ইউরোপের মোট গ্যাসের ৪০ শতাংশ এবং তেলের ৩০ শতাংশ রাশিয়া থেকে আমদানি করা হয়।
এদিকে পাশ্চাত্যের নিষেধাজ্ঞার মুখে রাশিয়া তার কৌশলগত মিত্র ভারতকে কম দামে তেল দেয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইউরোপের একাধিক দেশ রাশিয়া থেকে তেল আমদানির ভারতীয় সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে। এছাড়া, ভারত ‘রাশিয়ার ইউক্রেন আগ্রাসনের’ সমালোচনা না করায়ও পাশ্চাত্য নয়াদিল্লির প্রতি নাখোশ হয়েছে।
এ সম্পর্কে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আর কয়েক মাস অপেক্ষা করলেই আমরা দেখতে পাবো রাশিয়ার কাছ থেকে জ্বালানী আমদানিকারক প্রথম ১০টি দেশের তালিকায় কোন কোন দেশ রয়েছে। জয়শঙ্কর বলেন, নিশ্চিতভাবে ওই ১০ দেশের তালিকায় ভারত থাকবে না।
এদিকে, বৃহস্পতিবার রাতেই রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ নয়াদিল্লি সফরে গেছেন। আজ (শুক্রবার) তার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্করের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা রয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই