শতভাগ পতনের কবলে ছয় খাত
খাতগুলো হলো- তথ্যপ্রযুক্তি, পেপার ও প্রিন্টিং, সেবা ও আবাসন, সিরামিক, ভ্রমণ ও অবকাশ এবং পাট।
তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ১১টির মধ্যে আজ ১১টিরই দরপতন হয়েছে। খাতটিতে দর বেশি কমেছে আমরা নেটওয়ার্কের ৮০ পয়সা বা ১.৯৯ শতাংশ, আমরা টেকনোলজির ৭০ পয়সা বা ১.৯৮ শতাংশ, জেনেক্স ইনফোসিসের ২ টাকা ১০ পয়সা বা ১.৯২ শতাংশ, ইনফরমেশন সার্ভিসেসের ৮০ পয়সা বা ১.৯৭ শতাংশ। সবগুলো শেয়ারই ছিল ক্রেতা সংকটে।
পেপার ও প্রিন্টিং খাতে ৬টির কোম্পানির মধ্যে সবগুলোর দরই আজ কমেছে। এখাতে দর বেশি কমেছে মনোস্পুল পেপারের ৪ টাকা ৫০ পয়সা বা ১.৯৯ শতাংশ, সোনালী পেপারের ১৭ টাকা ১০ পয়সা বা ১.৯৯ শতাংশ, পেপার প্রসেসিংয়ের ৫ টাকা ১০ পয়সা বা ১.৯৮ শতাংশ। এই কোম্পানিগুলোও দিনভর ক্রেতাশুন্য ছিল।
সেবা ও আবাসন খাতে ৪টির মধ্যে সবগুলো কোম্পানির দরই আজ কমেছে। দর বেশি কমেছে সাইফ পাওয়ারটেকের ৭০ পয়সা বা ১.৯৯ শতাংশ, শমরিতা হসপিটালের ১ টাকা ৭০ পয়সা বা ১.৯৮ শতাংশ, সামিট এলায়েন্স পোর্টের ৫০ পয়সা বা ১.৮৫ শতাংশ, ইস্টার্ন হাউজিংয়ের ৭০ পয়সা বা ১.৩৩ শতাংশ। এসব কোম্পানির শেয়ারও ছিল ক্রেতাশুন্য।
সিরামিক খাতে ৫টি কোম্পানির মধ্যে সবগুলোর দরেই পতন হয়েছে। এখাতে দর বেশি কমেছে ফু-ওয়াং সিরামিকের ৩০ পয়সা বা ১.৯৪ শতাংশ মুন্নু সিরামিকের ২ টাকা বা ১.৯২ শতাংশ, আরএকে সিরামিকের ৮০ পয়সা বা ১.৮৯ শতাংশ, শাইনপুকুর সিরামিকের ৪০ পয়সা বা ১.৫৭ শতাংশ, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকের ১ টাকা ৮০ পয়সা বা ১.২৩ শতাংশ। কোম্পানিগুলোর মধ্যে প্রায় সবগুলোর শেয়ারই ক্রেতা সংকটের কিনারে লেনদেন হয়েছে।
ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে লেনদেন হওয়া ৩টি কোম্পানির মধ্যে আজ দর কমেছে ৩টিরই। সবচেয়ে বেশি দর কমেছে ইউনিক হোটেলের ১ টাকা ১০ পয়সা বা ১.৯১ শতাংশ, সী পার্ল হোটেলের ৯০ পয়সা বা ১.৮৩ শতাংশ, পেনিনসুলা হোটেলের ৬০ পয়সা বা ১.৮২ শতাংশ। সবগুলোই ছিল ক্রেতা সংকটের কবলে।
পাট খাতে ৩টির মধ্যে শতভাগ কোম্পানিরই দরপতন হয়েছে। দর বেশি কমেছে নর্দান জুটের ৫ টাকা বা ২ শতাংশ, জুট স্পিনার্স ২ টাকা ৭০ পয়সা বা ১.৯৫ শতাংশ, সোনালী আঁশের ৭ টাকা ৪০ পয়সা বা ১.৬৪ শতাংশ। এখাতেরও সব কোম্পানির শেয়ার ছিল ক্রেতা সংকটের সর্বনিম্ন ধাপে।

কোন মন্তব্য নেই