শেষ প্রান্তিকে লোকসান সত্ত্বেও নিট মুনাফা ও লভ্যাংশ বেড়েছে
কোম্পানিটির ২০২১ সালের ৯ মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছিল ২.৫০ টাকা। তবে বছর শেষে এই মুনাফার পরিমাণ কমে দাঁড়িয়েছে ২.৩৩ টাকায়। অর্থাৎ কোম্পানিটির শেষ প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ০.১৭ টাকা।
ডিএসইর ওয়েবসাইটে প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ি, কোম্পানিটির ২০২১ সালের প্রথম প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছিল ১.০৭ টাকা। যা দ্বিতীয় প্রান্তিকে ০.৯০ টাকা ও তৃতীয় প্রান্তিকে ০.৫৩ টাকা হয়েছিল। এতে করে ৩টি প্রান্তিকের একত্রে বা ৯ মাসে ইপিএস দেখায় ২.৫০ টাকা।
এদিকে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ ২১ এপ্রিল ২০২১ সালের পুরো বছরের যে আর্থিক হিসাব প্রকাশ করেছে, সেখানে ইপিএস দেখিয়েছে ২.৩৩ টাকা। এ হিসাবে শেষ প্রান্তিকে কোম্পানিটির লোকসান হয়েছে।
কোম্পানিটির ৯ মাসে শেয়ারপ্রতি ২.৫০ টাকা হিসেবে নিট মুনাফা হয়েছিল ১০ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। যা ১২ মাসে বা পুরো বছরে শেয়ারপ্রতি ২.৩৩ টাকা হিসেবে নেমে এসেছে ৯ কোটি ৮৭ লাখ টাকায়। অর্থাৎ শেষ প্রান্তিকে লোকসান হয়েছে ৭২ লাখ টাকা।
শেষ প্রান্তিকে লোকসান সত্ত্বেও কোম্পানিটির আগের বছরের তুলনায় ২০২১ সালে মুনাফা বেড়েছে। আগের বছরে শেয়ারপ্রতি ১.৯৭ টাকা করে নিট মুনাফা হয়েছিল ৮ কোটি ৩২ লাখ টাকা। যা এ বছরে বেড়ে হয়েছে ১০ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। এক্ষেত্রে ২ কোটি ২৭ লাখ টাকার বা ২৭% মুনাফা বেড়েছে। এতে করে আগের বছরের ১০% থেকে বাড়িয়ে ১৮% লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে।
কোম্পানিটির ২০২১ সালের অর্জিত ১০ কোটি ৫৯ লাখ টাকার নিট মুনাফার মধ্য থেকে ১৮ শতাংশ হারে শেয়ারহোল্ডারদেরকে ৭ কোটি ৬২ লাখ টাকার নগদ বা মুনাফার ৭২% লভ্যাংশ দেওয়া হবে। মুনাফার বাকি ২ কোটি ৯৭ লাখ টাকা বা ২৮% রিজার্ভে যোগ হবে।
উল্লেখ্য ২০০৬ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের বর্তমানে ৪২ কোটি ৩৫ লাখ টাকার পরিশোধিত মূলধন রয়েছে। শনিবার (২৩ এপ্রিল) কোম্পানিটির শেয়ার দর দাড়িঁয়েছে ৫৪.৪০ টাকায়।

কোন মন্তব্য নেই