তিন বছরেই জীর্ণ হয়ে পড়ছে বান্দরবানে পাহাড় ধস রোধে নির্মিত টানেল
তিন বছরেই জীর্ণ হয়ে পড়ছে বান্দরবানে পাহাড় ধস রোধে নির্মিত টানেল
বান্দরবান প্রতিনিধি | TimesExpress24
📅 প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ আগস্ট ২০২৫, ০৩:৩৭ এএম
বান্দরবানে পাহাড় ধস রোধে ২০২১ সালে নির্মিত টানেল-রূপী সংযোগ সড়ক তিন বছরের মধ্যেই জীর্ণ হয়ে পড়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড (CCTB) শহরের পুরনো বাস টার্মিনাল ও নতুন কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের সংযোগ স্থাপনের জন্য দুই পাহাড়ের পাথুরে ঢাল কেটে টানেল নির্মাণে প্রায় ১১ কোটি টাকা ব্যয় করেছিল।
২০২৩ সালের অক্টোবরে টানেলটি উদ্বোধন করা হলেও তহবিল সংকটের কারণে যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ সম্ভব হয়নি, যার কারণে এখন তা অনেকটা ক্ষয়প্রাপ্ত অবস্থায় রয়েছে।
প্রকল্পের বিস্তারিত
-
নাম: কানেক্টিং রোড (স্থানীয়দের কাছে টানেল পরিচিত)
-
দৈর্ঘ্য: ৫০০ ফুটের কিছু বেশি
-
উদ্দেশ্য: পুরনো ও নতুন বাস টার্মিনালের সংযোগ এবং পাহাড় ধস রোধ
-
উদ্বোধন: অক্টোবর ২০২৩
-
ব্যয়: প্রায় ১১ কোটি টাকা
নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান জানায়, এটি আফিশিয়ালি টানেল নয়, বরং একটি সংযোগ সড়ক। তবে প্রকৌশল পদ্ধতি অনুযায়ী দীর্ঘ আরসিসি স্থাপনা নির্মাণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট দূরত্ব পর পর কন্ট্রাকশন জয়েন্ট রাখতে হয়।
রক্ষণাবেক্ষণ সমস্যা
-
টানেলের ফাঁকা জায়গা দিয়ে পানি পড়ছে।
-
দক্ষিণ পাশে ফুটপাতের নিচে কাদা জমেছে।
-
বাসস্টেশন ইজারা না দেয়ার কারণে টানেল রক্ষণাবেক্ষণ সম্ভব হয়নি।
বান্দরবান পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী বিরল বড়ুয়া জানান, বাসস্টেশনটির ইজারার আয়ের ৫০% পৌরসভা, ৪০% পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড ও ১০% সংরক্ষিত তহবিলে জমা রাখার প্রস্তাব পার্বত্য বোর্ডের চেয়ারম্যানকে পাঠানো হয়েছে।
উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বিন মো. ইয়াসির আরাফাত বলেন,
“প্রকৌশল নকশা অনুযায়ী এটি মূলত সংযোগ সড়ক। স্থানীয়দের কাছে টানেল হিসেবে পরিচিত হলেও প্রকৃতপক্ষে এটি টানেল নয়।”
সমস্যা ও প্রভাব
টানেলের জীর্ণ অবস্থা শহরের দৈনন্দিন যানজট ও নিরাপত্তা সমস্যা তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে বর্ষাকালে পানি প্রবাহ ও কাদা জমে বাসচলাচলের জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করছে।
📌 কীওয়ার্ড: বান্দরবান, টানেল রক্ষণাবেক্ষণ, পাহাড় ধস, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, সংযোগ সড়ক, অবকাঠামো ক্ষয়
কোন মন্তব্য নেই