রাজশাহীতে শঙ্কায় বিএনপি প্রার্থীরা, দাবি মিনুর
প্রধান নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগ দাবি করেছেন রাজশাহীতে মনোনিত বিএনপির প্রার্থীরা। মঙ্গলবার সকালে নগরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে এ দাবি জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান রাজশাহী-২ (সদর) আসনের প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু। তিনি অভিযোগ করেন, ‘‘নির্বাচনী প্রচার শুরু হওয়ার পর থেকে বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ওপর হামলা, নির্যাতন, হুমকি-ধমকি, মামলা ও গ্রেপ্তার করে হয়রানি করা হচ্ছে। এছাড়াও পোস্টার ব্যানার ছেড়ে ফেলা ও নির্বাচনী কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করা হচ্ছে। এতে বিএনপির প্রার্থীদের জীবন শঙ্কার মধ্যে রয়েছে। একের পর এক এ সব অভিযোগ নির্বাচন কমিশনে দেয়া হলেও কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।’’
মিনু বলেন, ‘‘ফলে এই প্রধান নির্বাচন কমিশন অযোগ্য। তিনি তামাশার নির্বাচন আয়োজন করেছেন। তার মাধ্যমে নিরোপক্ষ নির্বাচন সম্ভাব নয়। তাই আজকের মধ্যে তার পদত্যাগ দাবি করছি।’’
সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন, রাজশাহী-১ আসনের বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার আমিনুল হক, রাজশাহী-৩ আসনের প্রার্থী শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৪ আসনের প্রার্থী আবু হেনা, নগর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, জেলা বিএনপির সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন তপু।
রাজশাহী-৫ আসনে প্রার্থীতা নিয়ে জটিলতা ও রাজশাহী-৬ আসনের প্রার্থী কারাগারে থাকায় তারা সংবাদ সম্মেলনে আসতে পারেননি বলে মিজানুর রহমান মিনু জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান রাজশাহী-২ (সদর) আসনের প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু। তিনি অভিযোগ করেন, ‘‘নির্বাচনী প্রচার শুরু হওয়ার পর থেকে বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ওপর হামলা, নির্যাতন, হুমকি-ধমকি, মামলা ও গ্রেপ্তার করে হয়রানি করা হচ্ছে। এছাড়াও পোস্টার ব্যানার ছেড়ে ফেলা ও নির্বাচনী কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করা হচ্ছে। এতে বিএনপির প্রার্থীদের জীবন শঙ্কার মধ্যে রয়েছে। একের পর এক এ সব অভিযোগ নির্বাচন কমিশনে দেয়া হলেও কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।’’
মিনু বলেন, ‘‘ফলে এই প্রধান নির্বাচন কমিশন অযোগ্য। তিনি তামাশার নির্বাচন আয়োজন করেছেন। তার মাধ্যমে নিরোপক্ষ নির্বাচন সম্ভাব নয়। তাই আজকের মধ্যে তার পদত্যাগ দাবি করছি।’’
সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন, রাজশাহী-১ আসনের বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার আমিনুল হক, রাজশাহী-৩ আসনের প্রার্থী শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৪ আসনের প্রার্থী আবু হেনা, নগর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, জেলা বিএনপির সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন তপু।
রাজশাহী-৫ আসনে প্রার্থীতা নিয়ে জটিলতা ও রাজশাহী-৬ আসনের প্রার্থী কারাগারে থাকায় তারা সংবাদ সম্মেলনে আসতে পারেননি বলে মিজানুর রহমান মিনু জানিয়েছেন।

কোন মন্তব্য নেই